শনিবার দুপুরে কিশোরগঞ্জ শহরের হারুয়া কলেজ রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রেক্সোনা একই এলাকার মো. তাইজুলের স্ত্রী। তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
এ ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত মো. মামুনকে আটক করেছে পুলিশ। ৩০ বছরের মামুন কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের চর শোলাকিয়া এলাকার সোরাফ উদ্দিনের ছেলে।
.png)
স্বজনরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ভাগনে মামুনের সঙ্গে রেক্সোনার পরকীয়া চলছিল। সেই সুবাদে মামির বাসায় প্রায়ই আসতেন মামুন। শনিবার দুপুরেও আসেন তিনি। এ সময় বাসায় কেউ ছিল না। একপর্যায়ে দুজনের মতের অমিল হলে সঙ্গে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে মামির গলা কাটেন মামুন। পরে রক্তমাখা ছুরি নিয়ে লাশের পাশে বসে ছিলেন তিনি। বিষয়টি টের পেয়ে মামুনকে ধরে পুলিশে খবর দেন আশপাশের লোকজন।
নিহতের স্বামী তাইজুল বলেন, আমার স্ত্রী রেক্সোনার সঙ্গে ভাগনে মামুনের পরকীয়ার বিষয়টি অনেক আগেই আমি জানতে পারি। এ বিষয়ে ভাগনেকে আমার বাসায় আসতে নিষেধ করি। কিন্তু আমার চায়ের দোকান রয়েছে। সকালে গিয়ে রাতে ফিরি। বড় মেয়ে স্কুলে চলে যায়। এ সুযোগে ভাগনে আমার বাসায় প্রতিদিনই যাতায়াত করেন। আমি এর সঠিক বিচার চাই।
কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ দাউদ বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত মামুনকে আটক করে পুলিশ। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি উদ্ধার করা হয়। পারিবারিক কোনো বিরোধের জের ধরে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, মামুন একাই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে। তবে, এ ঘটনায় আর কেউ সম্পৃক্ত আছে কি না তদন্ত করে দেখা হবে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহতের স্বামী তাইজুল বাদী হয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।