নিহত জেবা সালথার গট্টি ইউনিয়নের কাঠালবাড়িয়া গ্রামের খসরু মোল্যার মেয়ে ও একই গ্রামের প্রবাসী কামরুল ইসলামের স্ত্রী। জেবা ও কামরুল দম্পতির কারিমা নামে ৯ মাস বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, তাকে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়।
.png)
তবে শ্বশুর বাড়ির সদস্যদের দাবি, জেবা আত্মহত্যা করেছেন। তবে কী কারণে আত্মহত্যা করেছেন তা জানাতে পারেননি তারা।
সালথা থানার এসআই আওলাদ হোসেন জানান, সোমবার দুপুরে খবর পেয়ে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রির্পোট আসার পরে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
জানা গেছে, দুই বছর আগে কাঠালবাড়িয়া গ্রামের সোবহান মণ্ডলের ছেলে কামরুল মণ্ডলের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় জেবা আক্তারের। বিয়ের এক বছর পর তার স্বামী দুবাই চলে যান। এখনও তিনি দুবাইয়ে অবস্থান করছেন।
জেবার চাচা তানভির মোল্যা বলেন, খবর পেয়ে আমরা পৌঁছে দেখি ঘরের আড়ার সঙ্গে মরদেহ ঝুলে আছে। তবে লক্ষণ দেখে পরিষ্কারভাবে বোঝা গেছে তাকে হত্যা করে শ্বশুর বাড়ির লোকজন ঝুলিয়ে রেখেছে। আমরা এ ঘটনায় হত্যা মামলা করবো।
তবে জেবার ভাসুর শাহ আলম মণ্ডল বলেন, আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী জেবা গলায় ফাঁস লাগিয়ে মারা গেছেন। কী কারণে মারা গেছেন এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি তা জানি না। তার সঙ্গে কারো ঝগড়াও হয়নি।