সোমবার সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করা হয়।
মোগড়া গ্রামের বাসিন্দা রতন পাল বলেন, কাকা সুধীর পাল মারা গেলে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মরদেহ নিয়ে কালীতলা শ্মশানের দিকে যাই। এ সময় শ্মশানে যাওয়ার রাস্তাটি টিনের বেড়া দিয়ে বন্ধ দেখা যায়। রাস্তাটি বন্ধ করে রাখায় আরো ভোগান্তিতে রয়েছে ২৫টি পরিবার।
.png)
তিনি আরো বলেন, রাস্তা নিয়ে বিরোধ করে আসছিলেন আলমগীর নামে এক ব্যক্তি। তিনি শ্মশানে যাওয়ার রাস্তায় বেড়া দিয়ে দেন। উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, ইউপি চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে বেড়া সরিয়ে নিলেও ফের বেড়া দিয়ে দেন।
অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন বলেন, আমার রাস্তা আমি বন্ধ করেছি। কে কী বললো তা আমার দেখার বিষয় না।
শিউলী আক্তার নামে এক নারী বলেন, সকাল থেকে মরদেহ নিয়ে বসে আছে। রাস্তা বন্ধ থাকায় আমাদের মতো ২৫টি পরিবার বন্দি অবস্থায় আছে।
মোগড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন জানান, আমি সালিসের রায় দিয়েছি। ওরা রায় মানেনি। মরদেহ নিয়ে বসে থাকার কথা আমাকে জানানো হয়েছে।