পাহাড় আর হ্রদঘেরা পর্যটকদের মূল আকর্ষণ থাকে রাঙামাটি। তাই লাখো পর্যটক বরণে প্রস্তুত পাহাড়ি জেলাটি। এরই মধ্যে মেঘের রাজ্য সাজেকসহ শহরের সব কটেজ প্রায় শতভাগ বুকিং হয়ে গেছে। পর্যটকদের বরণ করতে অপেক্ষার প্রহর গুনছেন ব্যবসায়ীরা।
রাঙামাটির সাজেক ভ্যালি ভ্রমণপিপাসুদের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান। মেঘ পাহাড়ের লুকোচুরি উপভোগ করতে সারাবছর পর্যটকের পদচারণায় মুখর থাকে এ স্থান। আর লম্বা ছুটিতে সেই সংখ্যা বহুগুণ বেড়ে যায়।
.png)
পর্যটকদের কাছে রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু, সুবলং ঝর্ণা, পলওয়েল পার্ক ও হ্রদ ভ্রমণ বেশ আকর্ষণীয়। হ্রদে ভ্রমণে পর্যাপ্ত ট্যুরিস্ট বোট প্রস্তুত রয়েছে। টেক্সটাইল মার্কেটগুলোও প্রস্তুতি সেরে নিয়েছে। পর্যটকদের চাহিদা মেটাতে বাড়তি প্রস্তুতি নিচ্ছেন পর্যটনখাত সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
ঢাকা থেকে বেড়াতে আসা পর্যটক রাকিবুজ্জামান খান বলেন, সাজেক ছবির চেয়েও বাস্তবে সুন্দর। কটেজ থেকেই পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। অন্যরকম এক অনুভূতি। দেশটা যে কতো সুন্দর, এখানে না আসলে বোঝা যেত না।
চাঁদের বাড়ি রিসোর্টের ব্যবস্থাপক ইয়াছিন রাসেল বলেন, আমাদের রিসোর্টে আটটি রুম রয়েছে। শুক্রবার থেকে তিনদিনের ছুটি রয়েছে। এ ছুটিতে আমাদের সব রুম বুকিং। এ মাসের ৩১ তারিখ পর্যন্ত বুকিং আছে।
রাঙামাটির সাজেক কটেজ মালিক সমিতি সহ-সভাপতি চাই থোয়াই অং চৌধুরী জয় জানান, সারাবছর সাজেকে পর্যটক থাকে। তবে বন্ধের দিনগুলোতে একটু বেশি চাপ থাকে। সাজেকে মোট ১২০টি কটেজ রয়েছে। যেখানে রাত্রি যাপন করতে পারেন ৩ হাজার পর্যটক। তাই ঝমেলা এড়াতে কটেজ বুকিং নিশ্চিত করে সাজেকে আসার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।