এছাড়া হাবিবুর রহমান নামে আরেকজন ঢাকার একটি হাসপাতালে লাইফসাপোর্টে আছেন। তারা সবাই রোববার রাতে মদ্যপান করেছিলেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, কুলিয়ারচরে একটি মদের দোকান থেকে মদপান করে তারা রোববার রাতে বাসায় যাওয়ার পর বমি করতে থাকেন। পরে তাদের পরিবারের সদস্যরা রাতেই স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান। সোমবার সকালে একের পর এক তারা হাসপাতালে মারা যান। হাবিবুর রহমানকে মুমূর্ষু অবস্থায় রাতে ঢাকায় চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। সেখানে তিনি লাইফ সাপোর্টে আছেন।
.png)
কুলিয়ারচর থানার ওসি গোলাম মোস্তফা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, তারা মদপান করায় এর বিষক্রিয়ায় মৃত্যুবরণ করেছেন বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।