ঘটনাটি ঘটেছে লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে। মঙ্গলবার সকালে রায়পুর উপজেলার দক্ষিণ চরবংশী ইউপির ৬ নম্বর ওয়ার্ড থেকে ঝুলন্ত মরদেহটি উদ্ধার করে হাজিমারা পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। মৃত হারুন লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার রসুলগঞ্জ ইউপির চররুহিতা গ্রামের নবীগঞ্জ এলাকার মান্নানের ছেলে। তিনি পেশায় কসাই ছিলেন।
পারিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৫ মাস আগে রায়পুরের চরবংশী ইউপির মান্নানের মেয়ে বৈশাখী আক্তারের সঙ্গে হারুনের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। আড়াই মাস আগে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে। বিয়ের পর থেকে হারুনের সঙ্গে খারাপ আচরণ করতেন বৈশাখী। অন্য ছেলের সঙ্গে তার পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। এ নিয়ে তাদের সংসারে অশান্তি লেগেই ছিল।
.png)
সোমবার রাতে ছোট শ্যালিকা প্রিয়ার জন্মদিনের দাওয়াত খেতে শ্বশুরবাড়িতে যান হারুন। সেখানে তার ভায়রা জুয়েলসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে রাত ৩টার দিকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন হারুনের পরিবারকে তার মৃত্যুর সংবাদ দেন।
হারুনের পরিবারের অভিযোগ, হারুনকে তার ভায়রাসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পিটিয়ে হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রেখেছে। হারুনের কপালে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
রায়পুরের হাজিমারা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মফিজুর রহমান বলেন, ঝুলন্ত অবস্থায় হারুনের মরদেহ তার শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। স্ত্রী এবং শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে হারুনের ঝগড়া হয়েছে। এর জেররে হয়তো সে আত্মহত্যা করতে পারে। মরদেহ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।