মঙ্গলবার দুপুুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ইব্রাহিম খান।
তিনি জানান, সোমবার দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে গাজীপুর নগরীর দক্ষিণ সালনা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাজহারুল ইসলাম সবুজের (২৫) হাতে থাকা শপিং ব্যাগে ৫টি বান্ডিলে ১ লাখ ৭০ হাজার ভারতীয় রুপি, ৩টি বান্ডিলে ২ লাখ ২০ হাজার জাল টাকা এবং ছামিউল ইসলামের শরীর তল্লাশি করে ২টি বান্ডিলে ১ লাখ ৩০ হাজার জাল টাকাসহ গ্রেফতার করা হয়।
.png)
মাজহুরুল ইসলাম সবুজ কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ থানার হাতড়াপাড়া এলাকার সুরুজ মিয়ার ছেলে। তিনি গাজীপুরের বাসন থানার বারবৈকা এলাকায় ভাড়া থাকতেন। ছামিউল ইসলাম কুড়িগ্রামের রাজারহাট থানার সুকদেব এলাকার মৃত গফুর আলীর ছেলে। তিনি ঢাকা আশুলিয়া থানার গোরাট ইউসুফ মার্কেট এলাকায় ভাড়া থাকতেন।
পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারেন, এ জাল রুপি এবং বাংলা টাকাগুলো ঢাকার আশুলিয়া এলাকার জনৈক আলাউদ্দিন তৈরি করেন। তার সহযোগী খোরশেদ আলম গিট্টু ওই টাকা বিভিন্ন এলাকায় ক্রেতাদের নিকট সরবরাহ করেন। পরে পুলিশ গিট্টু অবস্থান শনাক্ত করে তাকে গাজীপুর মেট্রো সদর থানার বাহাদুরপুর শিকদারবাড়ি এলাকা থেকে গ্রেফতার করেন।
গিট্টু সুনামগঞ্জের বিশম্বরপুর থানার গনগাও জিনারপুর বাজার এলাকার রমজান আলীর ছেলে। তিনি ঢাকা আশুলিয়া থানার রাবানা এলাকায় ভাড়া থাকতেন। এ সময় পুলিশ গিট্টু সহযোগী সালেক নামে আরো একজনের হাতে একটি শপিং ব্যাগে ৩টি বান্ডিলে ১ লাথ ৭৪ হাজার ভারতীয় জাল রুপি, ৪টি বান্ডিলে ২ লাখ ৫২ হাজার এবং তার দেহ তল্লাশি করে আরো ৯০ হাজার জাল টাকাসহ গ্রেফতার করেন।
তিনি আরো জানান, আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে উক্ত চক্রটি সক্রিয় রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় জাল টাকা ক্রয়-বিক্রয়ে একাধিক মামলা রয়েছে।