কুমিরমারা গ্রামের কৃষক সুলতান গাজী জানান, এ বছর সাত বিঘা জমিতে বোরোর আবাদ করেছেন। ফলনও ভালো হয়েছে। তিনি এ জমিতে অন্তত ১৪০ মণ ধান পাওয়ার আশা করছেন।
তিনি আরো জানান, পাখিমারার খালটিতে ১২ মাস মিঠা পানির সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারলে কৃষকরা আমন, বোরোর পাশাপাশি সবজিসহ রবিশস্য আবাদ করতে পারবেন।
.png)
কলাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এআরএম সাইফুল্লাহ বলেন, এ বছর কলাপাড়ায় বোরোর আবাদ হয়েছে তিন হাজার হেক্টর জমিতে। যার অধিকাংশ হাইব্রিড জাতের। কোনো প্রতিকূল পরিবেশ ছাড়াই ঠিকঠাক মতো ফলন ঘরে তুলতে পারলে প্রতি হেক্টরে অন্তত ছয় মেট্রিকটন ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।