চিকিৎসকরা বলছেন, রান্না করা খাবার নির্দিষ্ট সময়ের বেশি এই অতিরিক্ত তাপমাত্রায় রাখলে খাবারে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া তৈরি হচ্ছে। এই খাবার খেয়েই ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে পড়ছেন। এ কারণে রোগী এবং সাধারণ নাগরিকদের খাবার ও চলা ফেরায় সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।
জানা যায়, শনিবার (১৫ এপ্রিল) দুপুর ১২টা পর্যন্ত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডায়রিয়া রোগী ভর্তি ছিলেন ১৭ জন। এর মধ্যে ৯ জন শিশু, ২ জন নারী ও ৬ জন পুরুষ। শুক্রবার ভর্তি ছিলেন ১৯ জন ডায়রিয়া রোগী। যার মধ্যে ৫ শিশু, ৬ নারী ও ৮ জন পুরুষ। বৃহস্পতিবার ভর্তি ছিলেন ৫ শিশু, ৪ নারী ও ১৬ পুরুষ। এছাড়া এই তিনদিনে আউটডোরে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন শতাধিক। এর বাইরে উপজেলা শহরের কয়েকটি বেসরকারি ক্লিনিকেও ডায়রিয়া রোগী ভর্তি রয়েছে।
.png)
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. আল ইমরান বলেন, অতিরিক্ত তাপপ্রবাহের কারণে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। প্রতিদিনই হাসপাতালে ডায়েরিয়া রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। ভর্তি রোগী ছাড়াও অনেকেই আউটডোরে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোছা. লুৎফুন্নাহার বলেন, বর্তমানে যশোর অঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র তাপপ্রবাহ চলছে। এই তাপমাত্রায় যে কোনো খাবার রান্না করে দুই ঘণ্টার অধিক সময় বাইরে রাখলেই খাবারে এক ধরনের ক্ষতিকর ব্যাকটরিয়া তৈরি হতে পারে। যা ডায়রিয়ার অন্যতম কারণ। এছাড়াও তাপপ্রবাহের মধ্যে বেশি সময় বাইরে থাকা বা পানি শূন্যতার কারণে অথবা খাবারে পয়জনিং হয়ে যে কেউ ডায়রিয়া আক্রান্ত হতে পারে।
তিনি আরো বলেন, বিশেষ করে শিশুদের বিষয়ে বেশি যত্নবান হতে হবে। এ বিষয়ে আমরা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনদের পরামর্শ দিচ্ছি। এছাড়াও ফেসবুকের মাধ্যমে বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।