সোমবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জেলা পুলিশ সুপার এএইচএম আব্দুর রাকিব।
এর আগে রোববার (২৩ এপ্রিল) দিবাগত রাতে জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা-ডিবি পুলিশ ও থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে তাদেরকে আটক করা হয়।
.png)
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, হত্যা মামলার ৩ নম্বর আসামি জেলা শহরের মিলকি বাগানপাড়া মহল্লার মৃত আলতাব হোসেনের ছেলে মেসবাহুল হক টুটুল (৪২), তার সহযোগী জেলা শহরের মসজিদপাড়া মহল্লার মৃত মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে মো. মাসুদ রানা (৩৮), একই এলাকার মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে মো. ইব্রাহিম ওরফে দাউদ ইব্রাহিম ওরফে হাবা (৩২), হুজরাপুর রেলবাগান এলাকার রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে শামীম রেজা (৩৫) ও প্রান্তিকপাড়া মহল্লার সানাউল হকের ছেলে মিলন হোসেন (৩০)।
সংবাদ সম্মেলনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার এএইচএম আব্দুর রাকিব বলেন, জেম হত্যার পর থেকে এজাহারভুক্ত আসামিরা আত্মগোপনে চলে যান। পরবর্তীতে তথ্য-প্রযুক্তি-ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল রোববার দিবাগত রাতে তাদের একটি দূরবর্তী জেলা থেকে গ্রেফতার করা হয়। বাকি আসামিদেরও গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, গ্রেফতার আসামিদের সোমবার যেকোনো সময়ের মধ্যে আদালতে সোপর্দ করা হবে এবং পুলিশের পক্ষ থেকে রিমান্ডের আবেদন করা হবে।
হত্যাকাণ্ডের তিনদিন পর গত রোববার (২২ এপ্রিল) রাতে খাইরুল আলম জেমের বড় ভাই মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার মেয়র, দুই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ ৪৮ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। এর আগে এ ঘটনায় আরো ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- রনু, রোকন, রনি ও মেরাজ খোনা।
এর আগে ১৯ এপ্রিল সন্ধ্যায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর শহরের উদয়ন মোড় এলাকায় শিবগঞ্জ পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা খাইরুল আলম জেমকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। হত্যার সঠিক বিচার দাবিতে মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও মহাসড়ক অবরোধ করেন স্বজনরা।