জানা যায়, চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল-নোমান ইউটিউবে ভিডিও দেখে কৃষকদের চাষাবাদে বাড়তি জমির ব্যবস্থা ও পরিত্যক্ত কচুরিপানার মাধ্যমে ভাসমান পদ্ধতিতে কৃষিতে বিপ্লব ঘটাতে চাষাবাদের উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। এ জন্য বরিশালের নেছারাবাদ থেকে চরফ্যাশনে আনেন অভিজ্ঞ কৃষকদের।
কচুরিপানাকে কাজে লাগিয়ে কৃষি চাষাবাদ শিখাতে ৩০ জন কৃষক-কৃষাণীদের নিয়ে বুধবার সকালে উপজেলার আমিনাবাদ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের হালিমাবাদ এলাকায় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। যেখানে নেছারাবাদ থেকে আমন্ত্রিত অভিজ্ঞ কৃষকরা চরফ্যাশনের স্থানীয় কৃষকদের হাতে কলমে ভাসমান পদ্ধতিতে কচুরিপানাকে কাজে লাগিয়ে কৃষি চাষাবাদের জন্য প্রশিক্ষণ দেন।
.png)
প্রশিক্ষণ প্রদানে নেছারাবাদ থেকে আসা অভিজ্ঞ কৃষক শাহাদাত জানান, চার ফুট প্রস্থ ও ৩০ ফুট পর্যন্ত দৈর্ঘ্যে কচুরিপানা দিয়ে বেড তৈরি করে কৃষকরা বিভিন্ন ধরনের ফসল উৎপাদন করতে পারবেন। যেখানে বারো মাসে ফসল হবে। এছাড়া, কচুরিপানা দিয়ে চারা উৎপাদন থেকে শুরু করে নানা ফসলের আবাদ করা যায়। যেখান থেকে কৃষকরা পাবেন রাসায়নিক মুক্ত ফসল। কৃষকরা বড় পরিসরে এই কচুরিপানাকে কাজে লাগিয়ে কৃষি উৎপাদনও বৃদ্ধি করতে পারবেন।
এ ব্যাপারে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল-নোমান বলেন, কৃষকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অভিশপ্ত বা পরিত্যক্ত কচুরিপানাকে কাজে লাগিয়ে কৃষকদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি এই কচুরিপানাকে কাজে লাগিয়ে কৃষিতে বিপ্লব ঘটিয়ে চরফ্যাশনে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চাই।