ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

শাশুড়িকে হত্যার পর গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলিয়ে রাখেন পুত্রবধূ-ছেলে

বরিশাল প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৮:৫৯, ৩ অক্টোবর ২০২৩
শাশুড়িকে হত্যার পর গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলিয়ে রাখেন পুত্রবধূ-ছেলে
গৌরনদী থানা- ফাইল ফটো

বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে পুত্রবধূদের হাতে বৃদ্ধা শাশুড়ি হেরোনা বেগম খুন হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। লাশ উদ্ধারের পাশাপাশি অভিযুক্ত দুই পুত্রবধূ, ছেলে ও ভুক্তভোগীর স্বামীকে আটক করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে তাদের আটক করা হয়। এর আগে, সোমবার রাতে গৌরনদী উপজেলার চর দিয়াশুর গ্রামে। নিহত হেরোনা ঐ গ্রামের হায়দার প্যাদার স্ত্রী।

নিহতের ভাই মনির হোসেন সিকদার অভিযোগ করে জানান, প্রায়ই তার বোন হেরোনা বেগমকে সৌদি প্রবাসী ভাগনের স্ত্রী রাখি বেগম, ছোট ভাগনে সুমন প্যাদা ও তার স্ত্রী তুলি বেগম শারীরিক নির্যাতন করে আসছিল। পাঁচদিন পূর্বেও তার বৃদ্ধা বোনকে মারধর করে পুত্রবধূরা। সোমবার তার বোনের মেয়েরা তাদের বৃদ্ধা মাকে (হেরোনা) দেখতে বাবার বাড়ি চর দিয়াশুর আসলে পুত্রবধূরা তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। একপর্যায়ে বাবার বাড়ি থেকে রাগ করে চলে যায় হেরোনার মেয়েরা। এনিয়ে ঐদিন রাতে পুত্রবধূদের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তার হেরোনা বেগমের মাথায় শিল দিয়ে আঘাত করা হলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।

Advertisement

অভিযোগ করে নিহতের ভাই আরো জানান, হত্যা মামলা থেকে বাঁচতে বাড়ির পাশে একটি বাথরুমে লাশের গলায় ফাঁস লাগিয়ে হাঁটু ভাজ করে ঝুলিয়ে রাখা হয়। মঙ্গলবার সকালে হেরেনা আত্মহত্যা করেছে বলে তার ভাগনে (নিহতের ছোট ছেলে) সুমন প্যাদা গৌরনদী মডেল থানা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিষয়টি হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করে। একপর্যায়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে ভুক্তভোগীর পুত্রবধূ রাখি বেগম, তুলি বেগম, ছেলে সুমন প্যাদা এবং স্বামী হায়দার প্যাদাকে আটক করে।

বরিশালের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গৌরনদী সার্কেল) শারমিন সুলতানা রাখি জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঝুলন্ত অবস্থায় ঐ বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে বিষয়টি হত্যাকাণ্ড বলে মনে হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এইচএন
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!