সোমবার দুপুরে কৃষ্ণপুর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, পুরো গ্রামজুড়ে শোক বিরাজ করছে। মোড়ে মোড়ে লোকজন জটলা বেঁধে এনায়েত কবিরের মেধা ও দক্ষতার প্রশংসা করে দীর্ঘশ্বাস ফেলছেন। অনেকের চোখে পানি পড়তে দেখা গেছে। তার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় সুনসান নিরবতা। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই পরিবারের লোকজন ঢাকায় রওনা দেন। সন্ধ্যা ৬টায় গ্রামবাসী তার মৃত্যুতে গায়েবানা জানাযা নামাজের আয়োজন করে।
নিহত পাইলট এনায়েত কবিরের মামা ডা. আবু তাহের জানান, তিনভাই ও একবোনের মধ্যে এনায়েত কবির সবার বড়। তার বাবা ডা. শফি উদ্দিন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অবসরপ্রাপ্ত উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।
.png)
এনায়েত কবির ১৯৯৭ সালে জামালপুর জিলা স্কুল থেকে এসএসসি ও ১৯৯৯ সালে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। ২০০০ সালে ফ্লাইট ল্যাফটেনেন্ট হিসেবে বিমানবাহিনীতে যোগদানের পর ২০০২ সালে ৪৬তম ব্যাচে কমিশন লাভ করেন। পাঁচ বছর আগে তিনি রাজবাড়িতে বিয়ে করেন। তার স্ত্রী নায়ান কবির নীতি পেশায় চিকিৎসক। তারিশা কবির নামে তিন বছর বয়সী তাঁর একটি মেয়ে রয়েছে।
ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম