ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, শনিবার (১১ নভেম্বর) ভোর সোয়া ৫টার দিকে ডাল লেকের ৯ নম্বর ঘাটের কাছে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রথমে একটি হাউজবোটে আগুন লাগে এবং পরে তা পাশে নোঙ্গর করে রাখা আরো চারটি হাউজবোটে ছড়িয়ে পড়ে। পুড়ে যাওয়া পাঁচটি হাউজবোটের মধ্যে একটিতে তিন বাংলাদেশি পর্যটক অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যান। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো সাতজন।
কাশ্মীরের শ্রীনগর পুলিশ নিহত তিনজনের পরিচয় নিশ্চিত করে জানিয়েছে, লেকের ৯ নম্বর ঘাটে ‘সাফিনা’ নামে একটি হাউসবোটে অবস্থান করছিলেন নিহত এই তিনজনসহ মোট ৮ জন। পুলিশ জানায়, নিহতদের সঙ্গে থাকা কাগজপত্র ও হাউজবোটে নিবন্ধিত ডকুমন্ট থেকে তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। আগুনে পাঁচটি হাউজবোট, আশেপাশের সাতটি বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তদন্তে গরম করার কোনো যন্ত্র থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ। মরদেহ হস্তান্তরের আগে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ডিএনও পরীক্ষা করে পরিচয় নিশ্চিত করা হবে ।
.png)
রাঙামাটি গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী সুজন পাল বলেন, স্যার গত ৩ নভেম্বর ভারতে গিয়েছিলেন। সঙ্গে আমাদের বিভাগের আরো একজন প্রকৌশলী এবং একজন ঠিকাদার ছিলেন। বিষয়টি এখন মোটামুটি নিশ্চিত যে উনারাই হাউজবোটটিতে ছিলেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমে নিউজে আমরা নিশ্চিত হতে পারছি।
তিনি আরো জানান, নিহত অনিন্দ্য কৌশল রাঙামাটি গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী, ইমন দাশ গুপ্ত গণপূর্ত চট্টগ্রাম বিভাগের সাব ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাদের সঙ্গে ছিলেন গর্ণপূর্ত বিভাগের ঠিকাদার মাঈনুদ্দিন। তার বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার কদলপুর গ্রামে।
রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান বলেন, নির্বাহী প্রকৌশলী ভারতে আছেন সেটা জানি। তিনি খুবই ভালো মানুষ। এমন ঘটনা শুনে খুব খারাপ লাগছে। আমি এখনই খোঁজ নিচ্ছি বলে জানান তিনি।