ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

লেপ-তোশক তৈরিতে ব্যস্ত কারিগররা

আবু মুত্তালিব মতি, আদমদীঘি (বগুড়া)
প্রকাশিত: ১৬:৫৭, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৩
লেপ-তোশক তৈরিতে ব্যস্ত কারিগররা
লেপ তৈরি করছেন কারিগররা- ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় লেপ-তোশক তৈরির কাজে ব্যস্ততা বাড়ছে কারিগরদের। বছরের অন্যান্য সময় তারা অলস সময় কাটালেও আশ্বিন মাস থেকে পুরোদমে দোকানে শুরু হয় এই লেপ-তোষক তৈরির কাজ।

আদমদীঘি উপজেলা সদর, সান্তাহার, ছাতিয়ানগ্রাম, চাঁপাপুর, নসরতপুর, মুরইল, কুন্দগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রায় তিন শতাধিক লেপ-তোশকের দোকান রয়েছে। এসব দোকানে মহাজন, কারিগরসহ প্রায় সহস্রাধিক শ্রমিক এ পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন।

আদমদীঘি সদরের মহাজন রফিকুল ইসলাম জানান, তিনি প্রায় ১০ বছর ধরে রেপ-তোশক তৈরির কাজ করেন। আগে এনালগ পদ্ধতিতে লেপ-তোশক তৈরি করা হতো। এখন উন্নতমানের ‘জুকি মেশিনে’ কাজ করা হয়। এতে সময় কম লাগে। লেপের কাপড়, তুলা ও সুতাসহ তৈরি খরচ বাবদ প্রকারভেদে গ্রাহকদের কাছ থেকে ২৯০০ টাকা থেকে ৪৫০০ টাকা পর্যন্ত নেয়া হয়। গদির দাম নেয়া হয় ৪৮০০ টাকা থেকে ৬ হাজার টাকা।

Advertisement

বর্তমানে আদমদীঘি উপজেলা অবস্থিত তিন শতাধিক প্রতিষ্ঠানে কারিগরা লেপ-তোশক তৈরিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। আশ্বিন মাস থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত এ পেশার কারিগররা ব্যস্ত থাকলেও অবশিষ্ট মাসে কারিগররা অন্য পেশায় নিয়োজিত থাকেন।

ব্যবসায়ীরা ও কারিগররা জানান, ক্রেতাদের এই আনাগোনা চলবে পুরো শীতজুড়ে। কিছুদিন পরে ক্রেতাদের ভিড় আরও বাড়বে। শীতের আগমনে লেপ-তোশক তৈরির কারিগর ও ব্যবসায়ীদের মাঝে ফিরে এসেছে কর্মচাঞ্চল্য। ক্রেতারা দোকানে লেপ-তোশক তৈরির অর্ডার দেওয়া শুরু করেছেন। তাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ছোট-বড় দোকানগুলোতে লেপ, তোশক তৈরির কাজ চলছে পুরোদমে।

লেপ তৈরি করতে আসা আব্দুর রহমান বলেন, ‘আমি সকালে একটি বড় লেপের অর্ডার দিয়েছি, দাম রাখা ধরা হয়েছে ২ হাজার ৫০০ টাকা। দোকান মালিক জানিয়েছেন, বিকেলের মধ্যেই লেপ তৈরি হয়ে যাবে।’

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআই
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!