জানা যায়, দুই বছর আগে মনপুরা পার্কে ঘুরতে এসে এক দর্শনার্থী একটি হাজারি জাতের কলার চারা উপহার হিসেবে দিয়ে যান। সেটি পার্কের ভেতরেই রোপণ করে কর্তৃপক্ষ।
কোনাবাড়ী এলাকার বাসিন্দা মারুফ হোসেন বলেন, কলার ছড়িটা আমার চেয়ে লম্বা। এর আগে কখনো এত লম্বা কলার ছড়ি দেখা হয়নি। তবে কলাগুলো খাওয়ার উপযোগী কি না, সেটা জানা নেই।
.png)
মনপুরা পার্কের ব্যবস্থাপক জায়েদ হাসান বলেন, এবারই প্রথম গাছের কলার ছড়ি এত বড় হয়েছে। কলার ছড়ির ভারে যাতে গাছ ভেঙে না পড়ে, তাই দুটি বাঁশের খুঁটি দিয়ে বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
গাজীপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হাসিবুল হাসান বলেন, ছড়িতে প্রায় দুই হাজার কলা রয়েছে। ওপরের কলাগুলো খাওয়ার উপযোগী থাকলেও নিচের কলাগুলো খাওয়ার মতো নয়। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হবে। এখান থেকে নতুন জাত উদ্ভাবন করা সম্ভব কি না, সে বিষয়ে গবেষণার উদ্যোগ নেয়া হবে।