রোববার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন থানার ওসি এম ওবায়দুল হক।
এর আগে, শনিবার বিকেলে থানার ব্রিজঘাট বিআইডব্লিউটিএ অফিস এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মিরাজ ঐ এলাকার কামাল আহমেদের ছেলে।
.png)
ওসি এম ওবায়দুল হক বলেন, গত ৯ জুলাই রিয়াজউদ্দিন বাজার এলাকার একটি প্রতিষ্ঠানের দুই কর্মচারী ব্যাংকে টাকা জমা দিতে যাওয়ার সময় পূর্বপরিকল্পিভাবে মারামারির ঘটনা সাজিয়ে তাদের মারধর করে ৯ লাখ ২০ হাজার টাকা লুট করা হয়। এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তাদের জবানবন্দিতে মিরাজের নাম উঠে আসে।
ওসি বলেন, মিরাজ হলেন ঘটনার মূল মাস্টারমাইন্ড। গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন তিনি। তার বিরুদ্ধে নগরের ডবলমুরিং থানায় একটি হত্যাসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। রোববার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গত ৯ জুলাই দুপুরে কোতোয়ালি থানার রিয়াজউদ্দিন বাজারের নুর এন্টারপ্রাইজ নামের একটি মোবাইল বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের বিপণন প্রতিনিধি মোরশেদ আলম ও সহকারী ম্যানেজার ত্রিদিব বড়ুয়া প্রতিষ্ঠানের ৯ লাখ ২০ হাজার টাকা জুবিলী রোডের একটি ব্যাংকে জমা দিতে যান। তারা জুবিলী রোডের রয়েল টাওয়ারের সামনে পৌঁছালে সাত থেকে আটজন মিলে তাদের মারধর করে ও ধারালো ছোরার ভয় দেখিয়ে টাকাভর্তি ব্যাগটি ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যান।
এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় ডাকাতির অভিযোগে মামলা করেন নুর এন্টারপ্রাইজের মালিক নুর মো. ইয়াছিন কবির। মামলার পর ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও পর্যালোচনা করে প্রথমে চারজনকে এবং পরে আরো একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।