এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন ইছামুদ্দিনের বাবা সোবাহান মোল্লা ও স্ত্রী ডলি খাতুন। তাদের গুরুতর অবস্থায় প্রথমে চাটমোহর পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে ঘটনার পরেই পালিয়েছেন ইছামুদ্দিন।
নিহত ছারেদা খাতুনের বড় ছেলে সাজিদুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার রাত ১০টার দিকে ইছামুদ্দিনের সঙ্গে তার স্ত্রীর ঝগড়া হচ্ছিল। একপর্যায়ে স্ত্রী ডলি খাতুনের হাতে দা দিয়ে কোপ দেন ইছামুদ্দিন। তখন তার মা ও বাবা থামাতে এগিয়ে গেলে তাদেরও কোপাতে থাকেন তিনি। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান ছারেদা খাতুন। গুরুতর আহত হন ইছামুদ্দিনের বাবা সোবাহান মোল্লা ও স্ত্রী ডলি খাতুন। গুরুতর অবস্থায় তাদের রাজশাহী মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
.png)
চাটমোহর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নয়ন কুমার সরকার বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। শনিবার সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাবনা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।