ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহনের কারণে এই জরিমানা করা হয়। এ সময় ‘বার আউলিয়া’ নামের জাহাজকে ১ লাখ টাকা এবং কর্ণফুলী জাহাজকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সালেহ আহমেদ জানান, বার আউলিয়া জাহাজে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত ২৫০ যাত্রী এবং কর্ণফুলী জাহাজে অতিরিক্ত ১০০ যাত্রী ছিল। একইসঙ্গে বার আউলিয়া জাহাজের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে পর্যটকদের হয়রানি-নাজেহালের অভিযোগ ছিল। ফলে ওই জাহাজ কর্তৃপক্ষকে জরিমানা করার পাশাপাশি সতর্ক করা হয়েছে।
.png)
কর্ণফুলী জাহাজের কক্সবাজারের ইনচার্জ ও জাহাজ মালিক সমিতির নেতা হোসাইন ইসলাম বলেন, বার আউলিয়া নামের জাহাজের ধারণক্ষমতা ৮৫০ জন। সেখানে যাত্রী ছিল ১ হাজার ৭০ জন। কর্ণফুলী জাহাজের ধারণক্ষমতা ৭৫০ জন, যেখানে যাত্রী ছিল ৮৫০ জন।
তিনি আরো বলেন, মিয়ানমারের সীমান্ত পরিস্থিতির কারণে ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে টেকনাফ হয়ে সেন্টমার্টিনগামী সব জাহাজ বন্ধ করা হয়েছে। এখন পর্যটন মৌসুম এবং পর্যটকের চাপ রয়েছে। ফলে অতিরিক্ত পর্যটক আসছেন। যে কারণে কিছু অতিরিক্ত টিকিট বিক্রি করে দিয়েছে কাউন্টারগুলো। তবে এখন থেকে এগুলো আর না করতে বলা হয়েছে।