চিঠিতে এমএ ওয়াদুদ উল্লেখ করেন, আমার স্ত্রীকে নিয়ে হিলভিউ সোসাইটিতে স্থায়ীভাবে বসবাস করছি। আমার নূরনগর হাউজিং সোসাইটিতে চার কাঠা করে আট কাঠার প্লট রয়েছে।
আমি গত আট বছর আগে আমার ব্যাংকের লোন পরিশোধ করার জন্য সৈয়দ আহম্মদ দুলালের কাছে সম্পত্তি বিক্রির উদ্দেশ্য আন রেজিস্ট্রার্ড বায়না করি। এরপর সৈয়দ আহম্মদ দুলাল প্লটটি রেজিস্ট্রি না নিয়ে আমাকে পাঁচ বছর ঘুরিয়েছে। এরমধ্যে আমি আরো ৭০ লাখ টাকা বেশি দিয়ে আমার পারিবারিক সম্পত্তি বিক্রি করে এবং অন্য ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে ব্যাংকের লোন পরিশোধ করি।
.png)
পরে সৈয়দ আহম্মদ দুলাল জমি রেজিস্ট্রি না নিয়ে তার বায়নাকৃত টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য ৫৯২/২১ মামলা দায়ের করে। মামলাটি এখনো আদালতে বিচারাধীন। এরমধ্যে আদালতের আদেশক্রমে আমি কিছু টাকা কোর্টে জমা করি। অথচ সৈয়দ আহম্মদ দুলাল গত কয়েক মাসে কিশোর গ্যাংয়ের লোকজন নিয়ে আমার ওপর কয়েকবার আক্রমণ করে এবং আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।
গত ৮ তারিখ কয়েকজন কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যকে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার বাসায় পাঠায়। শুক্রবার জুমার নামাজের পর সৈয়দ আহম্মদ দুলালের নেতৃত্বে একদল কিশোর গ্যাং আমার পথ অবরোধ করে আমাকে স্থানীয় মসজিদে ঢুকিয়ে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয় এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। পরে আমি ৯৯৯-এ ফোন করলে পাঁচলাইশ খানার এসআই কিবরিয়ার নেতৃত্বে আমি উদ্ধার হই এবং কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা ও দুলাল পালিয়ে যায়।
ভুক্তভোগী এমএ ওয়াদুদ বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত থেকে বাঁচতে আমি চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কাছে চিঠি দিয়েছি। বিষয়টি তিনি দেখবেন বলেছেন।