মঙ্গলবার রাতে টেকনাফ থানার আওতাধীন হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. শাহাদাত হোসেন সিরাজী এ তথ্য জানিয়েছেন।
নিহতের স্বজনদের বরাতে পুলিশ পরিদর্শক শাহাদাত হোসেন সিরাজী বলেন, গত ২২ মে নাফ নদীতে মাছ ধরার সময় আরাকান আর্মির গুলিতে জেলে হোসেন আলী আহত হন। হোসেন আলীর সঙ্গে থাকা জেলেরা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখান থেকে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় সোমবার দিবাগত রাত ২টার দিকে তিনি মারা যান। হোসেন আলীর ডান পায়ের হাঁটু এবং বাম পায়ের গোড়ালিতে গুলি লেগেছিল।
তবে মঙ্গলবার রাত ১০টা পর্যন্ত মরদেহ মো. হোসেন আলীর বাড়িতে পৌঁছায়নি বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন সিরাজী। তিনি বলেন, এ বিষয়ে নিহতের পরিবার থেকে মামলা করার কথা জানিয়েছে।
.png)
হোসেন আলীর ছেলে আমির হামজা বলেন, মঙ্গলবার বিকেলে চমেক হাসপাতালের মর্গে বাবার মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
সীমান্তের বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিরা জানান, প্রায় ৪ মাস ধরে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরকান আর্মির সঙ্গে সরকারি বাহিনীর যুদ্ধ চলছে। এরমধ্যে বাংলাদেশ সীমান্তের অধিকাংশ এলাকা আরাকান আর্মি দখলে নেয়। এর জেরে সীমান্ত এলাকায় গোলাগুলি ও ভারী অস্ত্রের বিস্ফোরণে এপারের লোকজন আতঙ্কে আছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা চাষাবাদ ও নদীতে মাছ ধরতে যেতে পারছেন না।