ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২১:৪৭, ১ জুন ২০২৪
জমি সংক্রান্ত বিরোধে বসতবাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

কিশোরগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মোছা. শিরিনা আক্তার নামে এক গৃহবধূর বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলাকারীদের বাধা দিলে তাদের আক্রমণে আহত হয় দুইজন।

শুক্রবার বিকেলে সদর উপজেলার চৌদ্দশত ইউপির জিনারাই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।  

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিরিনা আক্তার ছয়জনের নাম উল্লেখসহ আরো ৪-৫ জনকে অভিযুক্ত করে কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

Advertisement

অভিযুক্তরা হলেন সদর উপজেলার চৌদ্দশত ইউপির জিনারাই গ্রামের হাসেন উদ্দিনের ছেলে আফসর উদ্দিন, একই এলাকার জহুর আলীর ছেলে মান্নাছ মিয়া, চৌদ্দশত ইউপির ৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মো. হেলাল উদ্দিন, সাত্তার মিয়ার ছেলে মো. আবুল কালাম, কাদির মিয়ার ছেলে কাহার মিয়া ও তার ভাই বিল্লাল হোসেনসহ অজ্ঞাত আরো ৪-৫ জন সহযোগী।

আহতরা হলেন মোছা. শিরিনা আক্তার ও তার ভাসুর মো. সিদ্দিক মিয়া। তারা শহিদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন।

থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগ জানা গেছে, ভুক্তভোগী মোছা. শিরিনা আক্তারের স্বামী আব্দুল হাসিম তার বড় বোন জামাইয়ের কাছ থেকে জায়গা কিনে বসতঘর নির্মাণ করে সেই ঘরে বসবাস করে আসছেন। কিন্তু সেই জায়গা নিয়ে ভুক্তভোগীর ভাসর মো. মন্নাছ মিয়া তাদের উচ্ছেদ করতে বিভিন্ন ধরনের পায়তাঁরা করছে। শুক্রবার বিকেলে ৪টার দিকে অভিযুক্ত আফসর উদ্দিন, মান্নাছ, হেলাল মেম্বার, কালাম মিয়া, কাহার মিয়া দলবল নিয়ে ভুক্তভোগীর স্বামীর অনুপস্থিতিতে তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে বাড়িঘর ভাঙচুর করে। এ সময় ভুক্তভোগী শিরিনা আক্তার তাদের বাধা দিলে মারপিট শুরু করে ও শ্লীলতাহানি করে। একপর্যায়ে তারা খুন করতে চাইলে ভুক্তভোগী শিরিনা আক্তার পালিয়ে জান বাঁচায়। এ সময় অভিযুক্তরা বসতঘরে প্রবেশ করে ঘরের ওয়ারড্রপ, শোকেস ভাঙচুর করে বিশ হাজার টাকার একটি এন্ড্রয়েড মোবাইল ও সমিতি থেকে উঠানো নগদ এক লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।

অভিযুক্ত ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন বলেন, জায়গা নিয়ে তাদের সমস্যা নতুন না, দীর্ঘ দিনের। কয়েকবার সামাজিক দরবারের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছি। গতকাল হাসিমের স্ত্রী শিরিনা তার ভাসুর মন্নাছের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয় পরে আমি গিয়ে সেই রাস্তা খুলে দেই।

কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ওসি মোহাম্মাদ গোলাম মোস্তুফা  জানান, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়। এ ঘটনায় মোছা. শিরিনা আক্তার লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
ট্যাগ: কিশোরগঞ্জ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!