শুক্রবার দুপুরে উপজেলার তেঁতুলিয়া-বাংলাবান্ধা হাইওয়ে সড়কের সাহেবজোত এলাকায় গাঁজাসহ ওই যুবককে আটক হয়।
জানা গেছে, দণ্ডপ্রাপ্ত শহিদুল ইসলাম তেঁতুলিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের ভাদ্রুবাড়ী গ্রামের আনিছুর রহমানের ছেলে।
.png)
স্থানীয় ও ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা যায়, মাদকাসক্ত যুবক শহিদুল ইসলাম তেঁতুলিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের চৌরাস্তা বাজারের পাশের এলাকা থেকে গাঁজা সেবনের উদ্দেশ্যে এক মাদক কারবারির কাছ থেকে গাঁজা ক্রয় করে ফেরার পথে স্থানীয় লোকদের সন্দেহ হয়। পরে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ওই যুবক গাঁজা ক্রয়ের কথা স্বীকার করে। স্থানীয়রা সঙ্গে সঙ্গে তেঁতুলিয়া উপজেলা প্রশাসনকে খবর দেয়।
পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফজলে রাব্বি আটককৃত শহিদুলকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৯ ধারা লঙ্ঘনের দায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ৫ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করেন।
এদিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে বিচারক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে রাব্বি জানতে পারেন দণ্ডপ্রাপ্ত ওই যুবকের পরিবার গরিব ও অসহায়। পরে মানবিক বিবেচনায় প্রাথমিকভাবে তার পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন তিনি এবং আগামী ৬ মাসের মধ্যে তার পরিবারকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহাবুবুল আলম, তেঁতুলিয়া মডেল থানা পুলিশ ও স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।
তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফজলে রাব্বি জানান, স্থানীয়রা ওই যুবককে আটক করে প্রশাসনকে খবর দেয়। পরে ওই যুবক গাঁজা ক্রয়ের বিষয়টি স্বীকার করেন। ভ্রাম্যমান বসিয়ে তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
ফজলে রাব্বি আরো বলেন, আমি স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পারি তার পরিবারটি অনেক অসচ্ছল। তাই মানবিক বিবেচনায় তার পরিবারকে প্রাথমিকভাবে খাবারসামগ্রী দেওয়া হয়েছে। ওই যুবক যে কয়েক মাস কারাগারে থাকবেন, সেই সময়টাতে তার পরিবারকে বিভিন্ন সহযোগিতা করা হবে।