নিহত ওই শিশুর নাম মারিয়া আক্তার যুঁথি (৭)। সে রাজশাহী নগরীর মেহেরচণ্ডী এলাকার হাসান মোল্লার মেয়ে।
মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী নগরীর ভদ্রা মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই পদ্মা নামের ওই বাসটিকে পুলিশ আটক করতে পারলেও চালক পালিয়ে যায়। পরে নিহত যুঁথির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠায়।
.png)
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় চালক ছিলেন যুঁথির নানা। যুঁথি, তার এক আত্মীয় ও তার মা রিকশায় বসেছিলেন। তারা মেহেরচণ্ডীর দিক থেকে এসে ভদ্রামোড়ের গোল চত্বর রিকশায় পার হচ্ছিলেন। এ সময় নগরীর তালাইমারি থেকে ছেড়ে আসা বেপরোয়া গতির বাস রিকশার পেছনে ধাক্কা দেয়। এতে মায়ের কোল থেকে যুঁথি ছিঁটকে পরে সড়কে। এ সময় বাসের চাকা যুঁথিকে পিষে দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই যুঁথির মৃত্যু হয়।
এ ঘটনার জেরে ক্ষুব্ধ জনতা তিনটি যানবাহনে ভাঙচুর চলায়। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ভদ্রা মোড়ের বাস কাউন্টারগুলোও সন্ধ্যা পর্যন্ত বন্ধ ছিল।
এ বিষয়ে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) সাবিনা ইয়াসমিন জানান, ঘাতক বাসটি আটক করা হলেও চালক পালিয়ে গেছেন। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়া চলমান। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রামেক হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এখন সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।