জানা যায়, বিরল এই প্রাণীটি ধরা পড়ে ইঁদুর মারার ফাঁদে। পরে এটিকে অন্য একটি বড় খাঁচায় সংরক্ষণ করা হয়। বিলুপ্ত প্রাণীটিকে কেউ বলে থাকেন তাল খাটাশ, কেউ বা আবার ভোন্দর, আবার কেউ বলেন সাইরেল। মূলত বনজঙ্গল ও পুরোনো এলাকার গাছপালায় এই প্রাণীটির আবাসস্থল। এর শরীর থেকে বের হয় পোলাও চালের সুগদ্ধ। তাই এটিকে ডাকা হয় গন্ধগোকুল নামে। গাছপালা কমে যাওয়ায় দিনদিন কমছে গন্ধগোকুলের সংখ্যাও। মাদারীপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পাকদী এলাকায় প্রাণীটি আটকের পর দেখতে ভিড় করেন বিভিন্ন বয়সের মানুষ।
এদিকে, খবর পেয়ে বুধবার দুপুরে ঘটনাস্থল গিয়ে প্রাণীটিকে নিয়ে আসেন বন কর্মকর্তারা। চিড়িয়াখানা কিংবা বনাঞ্চলে এটিকে অবমুক্ত করার কথা জানান তারা।
.png)
কৃষক মনির তালুকদার বলেন, কয়েকদিন থেকেই অচেনা একটি প্রাণী আসছিলো। পরে ইঁদুর মারার ফাঁদ পেতে তাকে আটক করি। শুনেছি এই প্রাণীটি বিরল প্রজাতির। এটি সচারচর দেখা মেলে না। দুপুরে প্রাণীটি বন বিভাগের লোকজন নিয়ে গেছেন।
সামাজিক বন বিভাগ মাদারীপুর এর কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এক সময়ে গন্ধগোকুল প্রাণী অনেক দেখা গেলেও এখন আর সেটা দেখা যায় না। মনির তালুকদার এটিকে উদ্ধার করেছেন। প্রাণীটি আপাতত মাদারীপুর অফিস রাখা হয়েছে। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ করে কোনো চিড়িয়াখানা কিংবা বনাঞ্চলে এটিকে অবমুক্ত করা হবে।