বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) বিকেলে কারখানাটির ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। পরে বিকেল ৫টার দিকে মালিকের সঙ্গে পরামর্শক্রমে ফ্যাক্টরি থেকে জহির হোসেনকে বের করে নিয়ে যাওয়া হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিল্প পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মোশারফ হোসেন।
.png)
জানা গেছে, সেপ্টেম্বর মাসের ২০ শতাংশ বকেয়া বেতন এবং অক্টোবর মাসের পূর্ণ বেতন না পাওয়ার কারণে শ্রমিকরা এ আন্দোলনে নেমেছেন। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শ্রমিকরা কারখানার প্রাঙ্গণে জড়ো হয়ে বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবি জানান। কারখানার মালিক আজ বেতন দিতে চাইলেও অর্থ সংগ্রহে ব্যর্থ হওয়ায় কারখানায় আসেননি, যা শ্রমিকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ সঞ্চার করে।
শ্রমিকদের ভাষ্যমতে, বিকেল ৫টার দিকে কারখানার ম্যানেজার জহির মালিকের নির্দেশে কিছু শিপমেন্টের মালামাল কারখানা থেকে সরিয়ে নিতে চাইলে শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকে এবং তারা ম্যানেজারকে কারখানার ভেতরে অবরুদ্ধ করে রাখেন। এ অবস্থায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
এএসপি মোশারফ হোসেন জানান, গাজীপুরা এলাকার ছোট্ট এই কারখানায় কিছু শ্রমিকের বেতন বকেয়া ছিল। শ্রমিকদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আজ বেতন পরিশোধ করার কথা থাকলেও মালিকপক্ষ তা করতে পারেনি। শ্রমিকদের বিক্ষোভের খবর পাওয়ার পর আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছি। তবে, এখনো পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। কারখানার কর্মকর্তাদের মধ্যে কোনো সমস্যা সৃষ্টি হলে আমাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত আছি।