নিহত যুবক ওই এলাকার বাছির মিয়ার ছেলে মাহবুর মিয়া (২৭)।
এ বিষয়ে নিহতের পরিবার জানায়, ৫ বছর আগে করোনার পর ড্রাইভিং ছেড়ে বেকার হয়ে যান মাহবুর। দিনদিন নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েনি তিনি। মাদকাসক্ত হলেও পরিবার বা স্থানীয়দের সঙ্গে তেমন কোনো ঝামেলা ছিল না। শান্ত প্রকৃতির ছেলে ছিলেন মাহবুর। ১৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় তার বাবার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চায়ের দোকানের পেছনের স্টোররুমে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে রাতে চা দোকানে চেয়ার আনতে গিয়ে পরিবার দেখতে পায় ফাঁসিতে ঝুলে আছেন মাহবুর। এ সময় পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
.png)
এ বিষয়ে নিহতের বাবা বাছির মিয়া বলেন, আমার ছেলে নীরব থাকতেন, পরিবারের কারো সঙ্গে বেশি কথা বলতেন না। সন্ধ্যায় আমার সঙ্গে দেখা হয়। তিনি বাড়ি থেকে বের হচ্ছিলেন ও আমি বাড়িতে যাচ্ছিলাম। কখন যে বাড়ির পাশে আমার চায়ের দোকানে গিয়ে স্টোররুমে ফাঁসিতে ঝুলেছেন আমরা কিছুই বলতে পারছি না। চেয়ার আনতে গিয়ে দেখা যায় স্টোররুমে ফাঁসিতে ঝুলে আছেন মাহবুর। আমার ছোট ছেলে তিনি। তার পাসপোর্ট করতেও টাকা দেওয়া ছিল। কিন্তু ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে যাননি।
মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে ভৈরব থানার ওসি মোহাম্মদ শাহীন বলেন, রাতে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। পরে মরদেহটি উদ্ধার করে কিশোগঞ্জের মর্গে পাঠানো হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি আত্মহত্যা। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।