তথ্য সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে কুষ্টিয়া জেলার ছয় উপজেলার সদরে ১২ হেক্টর, খোকসাতে ৫ হেক্টর, কুমারখালি ২ হেক্টর, মিরপুরে ৬ হাজার ৮শত ৫১ হেক্টর, ভেড়ামারায় ৮শত ৩০ হেক্টর ও দৌলতপুরে ৩ হাজার ৬শত ৮৫ হেক্টর এবং ছয় উপজেলাতে ১১ হাজার ৩শত ৮৫ হেক্টর আবাদি জমিতে তামাক চাষ করা হচ্ছে।
এদিকে চলতি বছরসহ গত ৫ বছরের তথ্যে জানা যায়, ২০১৯-২০ অর্থ বছর থেকে চলতি ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে সদর উপজেলা, কুমারখালী ও খোকসা এই তিন উপজেলাতে ১৬৪ হেক্টর তামাক চাষ করা হয়েছে।
.png)
অন্য দিকে মিরপুর, ভেড়ামারা ও দৌলতপুরে চলতি বছরসহ গত ৫ বছরে একই সময়ে ৬৫ হাজার ৭শত ৬০ হেক্টর আবাদি জমি ব্যবহার করে তামাক চাষ হয়েছে। আবার অনেক জায়গায় আবাদি জমিতে তামাকের চারা রোপণ করা হয়ে থাকে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, মিরপুর, ভেড়ামারা ও দৌলতপুরে তামাক পাতা গজিয়ে সবুজ হয়েছে মাঠ। এসব অঞ্চলে তামাকের গন্ধে তাৎক্ষণিকভাবে রোগ দেখা না দিলেও পরে শিশু ও গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা জানান। এতে বিভিন্ন রোগ দেখা দিতে পারে।
এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ জানায়, তামাক চাষের ব্যাপারে নির্দিষ্ট কোনো হিসাব নেই। তবে জেলার তামাক চাষি ও তামাক কোম্পানি প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতিবছর প্রায় ১০ হাজার ৫০০ হেক্টরের বেশি রবি ফসলের জমিতে তামাক চাষ হয়। কিন্তু তামাক চাষের প্রভাবে ধানি জমির পরিমাণ কমে যাচ্ছে।
এক গবেষণায় জানা গেছে, শিশু-কিশোররাও এখন প্রতি দশ জনে একজন ধূমপায়ী। শুধু ধূমপানই নয়, তারা নানা রকমের নেশাও করে এবং ধূমপানের মাধ্যমেই যেকোনো নেশা শুরু হয়। এতে যেমন তাদের দেহের ক্ষতি হচ্ছে, তেমনই অন্য মানুষের দেহেরও ক্ষতি হচ্ছে। তামাক এমন একটি ক্ষতিকর উপাদান, যা শুধু মানুষের শরীরের ক্ষতি করে না, বরং পরিবেশেরও মারাত্মক ক্ষতি করে।