ঢাকা,  সোমবার   ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

চট্টগ্রামে তিন পরিবারের সদস্যদের হাত-পা বেঁধে ডাকাতি

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৫:৪৫, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চট্টগ্রামে তিন পরিবারের সদস্যদের হাত-পা বেঁধে ডাকাতি
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে একই ভবনে ভাড়া থাকা তিন পরিবারের সদস্যদের হাত ও চোখ বেঁধে ডাকাতির অভিযোগ উঠেছে। এ সময় সোনা, রূপার অলংকার, মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ে গেছে ডাকাতেরা।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে উপজেলার উত্তর কড়লডেঙ্গায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, রাত ৩টার দিকে ৬-৭ জনের একটি দল ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ভবনটিতে প্রবেশ করে। পরে আমুচিয়া শাহ মজিদিয়া দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষিকা সাদিয়া আফরোজ, রাবার বাগানের শ্রমিক জিয়াউর রহমান ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক নুরুল আবছার রুবেলের পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে তারা।

Advertisement

ভুক্তভোগীদের দাবি, ডাকাতেরা দুটি সোনার চেইন, দুই জোড়া সোনার কানের দুল, একটি সোনার নাকফুল, এক জোড়া হীরার কানের দুল, দুই জোড়া রূপার নূপুর, পাঁচটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও ৪১ হাজার টাকা নিয়ে গেছে। এ ছাড়া নুরুল আবছার রুবেলের ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাটিও নিয়ে যায় তারা।

শিক্ষিকা সাদিয়া আফরোজ বলেন, রাত ৩টার দিকে ৬-৭ জনের একটি দল ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের জিম্মি করে। পরে তার স্বামী শরিফুল ইসলামসহ পাঁচজনের হাত ও চোখ বেঁধে মারধর করা হয়। এ সময় তাদের কাছে থাকা সোনা, মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা নিয়ে যায় ডাকাতেরা।

অটোরিকশাচালক নুরুল আবছার রুবেল বলেন, ডাকাতেরা প্রথমে রান্নাঘরের জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করে। পরে ১২ বছর বয়সী এক শিশুকে দিয়ে পেছনের দরজা খুলিয়ে ঘরে ঢোকে তারা। এরপর তার গলায় ধারালো ছুরি ধরে হাত বেঁধে ফেলা হয়। একপর্যায়ে তিন পরিবারের সদস্যদের হাত ও চোখ বেঁধে রাখা হয়।

রুবেল বলেন, তার ঘরে থাকা ২৫ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাটিও নিয়ে যায় ডাকাতেরা।

জিয়াউর রহমানের স্ত্রী ঝর্ণা আক্তার বলেন, ডাকাতেরা তার এক বছরের শিশুকে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয়। পরে কান্নাকাটি করে তিনি শিশুটিকে তাদের হাত থেকে রক্ষা করেন।

এ বিষয়ে বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন বলেন, রাতে উত্তর কড়লডেঙ্গায় একটি ঘটনা ঘটেছে। এটি চুরি নাকি ডাকাতির ঘটনা, তা এখনো স্পষ্ট নয়। বিষয়টি তদন্ত করছে পুলিশ। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!