বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে বিজনেস রেকর্ডারের খবরে জানানো হয়েছে, কৃষ্ণসাগর অঞ্চল থেকে খাদ্যশস্যের সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে রফতানি গতি পেয়েছে। এতে দাম কমেছে।
এছাড়া কৃষ্ণসাগর বন্দর দিয়ে গম রফতানি বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রও সরবরাহ বাড়িয়েছে। ফলে পণ্যটি কিনতে ব্যবসায়ীদের মাঝে প্রতিযোগিতা আরো জোরদার হয়েছে। এতে মূল্য হ্রাস পেয়েছে।
.png)
সিবিওটিতে লাল গমের দাম কমেছে ২৮ সেন্ট। প্রতি বুশেলের দর স্থির হয়েছে ২ ডলার ২১ সেন্টে। গত ২৩ জানুয়ারির পর যা সর্বনিম্ন। আর কেসিতে খাদ্যপণ্যটির দরপতন হয়েছে ২১ সেন্ট। বুশেলপ্রতি মূল্য নিষ্পত্তি হয়েছে ৮ ডলার ৩৫ সেন্টে, গত ২৪ জানুয়ারির পর যা সবচেয়ে কম।
এমইএক্সে গমের দাম ২৩ সেন্ট নিম্নমুখী হয়েছে। প্রতি বুশেল বিক্রি হচ্ছে ৮ ডলার ৮১ সেন্টে। ইউরোনেক্সটেও খাদ্যশস্যটির দর হ্রাস পেয়েছে, যা গত ১ মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম।
২০২২ সালে জাতিসংঘ ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় ইউক্রেন থেকে খাদ্যপণ্যের বাণিজ্য বাড়াতে চুক্তি করে রাশিয়া। অনেক ব্যবসায়ী বলছেন, সেই চুক্তির মেয়াদ বাড়ার দারুণ সম্ভাবনা আছে। এমনটি হলে বিশ্ববাজারে খাবারের দাম আরো কমবে।