বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এ কার্যদিবসে আইসিই’তে অপরিশোধিত চিনির আগামী জুলাইয়ের সরবরাহ মূল্য হ্রাস পেয়েছে শূন্য দশমিক ২ শতাংশ। প্রতি পাউন্ডের দর স্থির হয়েছে ২৪ দশমিক ৭৮ সেন্টে। আগের কর্মদিবসেও (বৃহস্পতিবার) ভোগ্যপণ্যটি দর হারিয়েছিল। পাউন্ডপ্রতি দাম নিষ্পত্তি হয় ২৪ ডলার ৬১ সেন্টে।
.png)
এদিন আগামী আগস্টের চিনির সরবরাহ মূল্য নিম্নমুখী হয়েছে শূন্য দশমিক ১ শতাংশ। প্রতি টনের দর দাঁড়িয়েছে ৬৯৬ ডলার ২০ সেন্টে।
বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ চিনি উৎপাদনকারী ব্রাজিল। দেশটিতে গ্রীষ্মকালে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হয়েছে। ফলে উৎপাদন ভালো হওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে খাদ্যপণ্যটি রফতানিতে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে পারে তারা।
এরই মধ্যে শিল্প উপাত্তে দেখা গেছে, ব্রাজিলের মধ্য-দক্ষিণ অঞ্চলে চলতি মে মাসের প্রথমার্ধে চিনি উৎপাদন ব্যাপক বেড়েছে। এক বছর আগের একই সময়ের চেয়ে যা ৫০ শতাংশ বেশি।
সূত্র: নাসডাক