রোববার নতুন সিদ্ধান্ত জানিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন ব্যবস্থা পেপারলেস (কাগজবিহীন) করা ও লেনদেন তথ্য নিয়মিত তদারকি করতে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে ‘ইজ অব ডুয়িং বিজনেস’ বা ব্যবসায় পরিবেশ সহজ হবে। এজন্য ‘অনলাইন ফরেন এক্সচেঞ্জ ট্রানজেকশন মনিটরিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এফএক্স ড্যাশবোর্ড)’ চালু করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ড্যাশবোর্ডের তথ্য পর্যালোচনা করে বৈদেশিক মুদ্রা বাজার তদারকি ও প্রতিটি লেনদেন সহজেই আরো নিবিড় তদারকির আওতায় আনা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
.png)
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, রফতানি সংক্রান্ত তথ্য (যেমন: রফতানির পরিমাণ, আয়, বকেয়া হলে সেটির কারণ, মামলার বিষয়, রফতানি বিল, রফতানি আয়ের বিষয়ে উদ্যোক্তাদের দাবি ইত্যাদি) এখন থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকে অনলাইনে জমা দিতে হবে। রফতানি আয় প্রত্যাবাসনের সার্টিফিকেট (সনদ) দিতে হবে অনলাইনে।
নির্ধারিত সার্ভারে রফতানি সংক্রান্ত কোনো অতিরিক্ত তথ্য থাকলে তাও জানাতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়ে বলা হয়, বকেয়া হওয়া রফতানি আয়ের তথ্য প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ‘অনলাইন এক্সপোর্ট মনিটরিং সিস্টেম (ওইএমএস)’–এ জমা দিতে হবে। রফতানি আয় বকেয়া হওয়ার কারণ ও তা দেশে আনতে ব্যাংকের পক্ষ থেকে নেয়া উদ্যোগগুলোও জানাতে বলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।