বুধবার বিকেলে রেল ভবনে আয়োজিত রুট রেশনালাইজেশন সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।
সভায় জানানো হয়, একতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি পঞ্চগড়-ঢাকা-পঞ্চগড় রুটে চলাচল করে এবং এটি সেপ্টেম্বর মাসে ৪ কোটি ১৬ লাখ টাকা আয় করেছে। ট্রেনটির মোট আসন সংখ্যা ১২৩০/১২৫৪টি।
.png)
অন্যদিকে করতোয়া এক্সপ্রেস ট্রেনটি সান্তাহার-বুড়িমারি-সান্তাহার রুটে চলাচল করে এবং এটি আয় করেছে ৩২ লাখ ৪২ হাজার টাকা। করতোয়া এক্সপ্রেসের মোট আসন সংখ্যা ৫৬৪টি।
বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চল জোন থেকে কক্সবাজার এক্সপ্রেস সর্বোচ্চ আয় করেছে, যা কক্সবাজার-ঢাকা-কক্সবাজার রুটে চলাচল করে এবং এটি আয় করেছে ৩ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। পূর্বাঞ্চলে সর্বনিম্ন আয় করেছে হাওর এক্সপ্রেস, যা ঢাকা-মোহনগঞ্জ-ঢাকা রুটে চলাচল করে এবং এটি আয় করেছে ৪৯ লাখ ৫৫ হাজার টাকা।
রেলওয়ের রুট রেশনালাইজেশন সভায় উপস্থিত ছিলেন- রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল বাকী, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক সরদার সাহাদাত আলী প্রমুখ।