বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান তারা।
শিক্ষার্থীরা জানান, গতকাল (বুধবার) দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভিসিকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের আল্টিমেটাম দেওয়া হলেও ভিসি পদত্যাগ করেননি। এরপর থেকেই ২৪ জন শিক্ষার্থী আমরণ অনশনে বসেন। এখন পর্যন্ত অনশনে আছেন।
.png)
এর মধ্যে অনেকই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গতকাল রাতে মোজাম্মেল ও দীপান্বিতা নামের দুই শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। শিক্ষার্থীদের কোনো ধরনের ক্ষতি হলে ভিসিকেই এর দায়ভার নিতে হবে।
তদন্ত কমিটি চান কি না এমন প্রশ্নে শিক্ষার্থীরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই কোনো ধরনের তদন্ত কমিটি চাই না। আর যেখানে ভিডিও ফুটেজে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে অতর্কিতভাবে নিরীহ নিরস্ত্র শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশ লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।
প্রশাসনের মদদ ছাড়া পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকার সুযোগ কোনোভাবেই পাবে না। এমনকি গুলি চালানোর সুযোগও প্রশাসনের মদদ ছাড়া পাবে না। সেখানে তদন্ত কমিটি গঠন করে কোনো লাভ নেই। যেই ভিসি শিক্ষার্থীদের উপর এমন হামলার মদদ দিতে পারে সেই ভিসি কোনোভাবেই শিক্ষার্থীদের কল্যাণকামী হতে পারে না। তাই অবিলম্বে ভিসির পদত্যাগ চাই। ভিসি পদত্যাগ না করলে আমাদের আমরণ অনশন চলবে।
এদিকে সংবাদ সম্মেলনের পরপরই শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধি দল আসেন শিক্ষার্থীদের কাছে। এতে শিক্ষকরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আলোচনা করতে চান। কিন্তু শিক্ষার্থীদের সাথে সংহতি প্রকাশ না করলে তাদের কথা শুনবে না বলে জানান শিক্ষার্থীরা।