শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি না বাড়লে সশরীরেই হবে চুয়েট-কুয়েট-রুয়েটের স্নাতক ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন ক্লাস।
বিষয়টি মুঠোফোনে ডেইলি বাংলাদেশ-কে নিশ্চিত করেছেন তিন প্রকৌশল সমন্বিত ভর্তি কমিটির সভাপতি ও চুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মইনুল ইসলাম।
.png)
সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় অনুমোদনসাপেক্ষে এই তারিখ নির্ধারণ করা হয়।
অধ্যাপক ড. মইনুল ইসলাম জানান, চুয়েট-কুয়েট-রুয়েটের ভর্তি প্রক্রিয়া এখনো চলমান৷ তবে দ্রুতই পুরোপুরি শেষ হবে বলে আমরা আশা করছি। ‘ক’ গ্রুপ (ইঞ্জিনিয়ারিং, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ) ও ‘খ’ গ্রুপের (ইঞ্জিনিয়ারিং, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা এবং স্থাপত্য বিভাগ) সব আসনই মোটামুটি পূরণের পথে। কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি বাতিল করলে সেই আসনে পরবর্তী মেধা তালিকার অন্য শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারবে। সেক্ষেত্রে আরো যদি কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি বাতিল করতে ইচ্ছুক হয় ওরিয়েন্টেশনের পরে ঐ আসনে আর শিক্ষার্থী ভর্তির কোনো সুযোগ নেই। তাই আমরা সবদিক বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
তিনি আরো জানান, এবছরই প্রথমবারের মতো তিন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন ও একাডেমিক কার্যক্রম অনলাইনে নাকি অফলাইনে শুরু হবে সেটি নিয়ে এখনো দ্বিধা থাকলেও আমরা আশা রাখছি সশরীরেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে এই ওরিয়েন্টেশন ক্লাস। তবে সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ালে তখন অনলাইনে হতে পারে।
চুয়েট-কুয়েট-রুয়েটের ভর্তি সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া ১৩ ফেব্রুয়ারির তথ্য মতে তিন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে চুয়েটে কোনো আসন খালি নেই। তবে কুয়েট ও রুয়েটে আসন খালি আছে ৭৮টি।
কুয়েটের লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ০৬টি এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগে ৩০টি আসন খালি রয়েছে। এছাড়া রুয়েটের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগে আসন খালি আছে ৪২টি।
এ মুহুর্তে ‘ক’ গ্রুপে (ইঞ্জিনিয়ারিং, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ) মোট ৩০০২ জন শিক্ষার্থী ভর্তি অবস্থায় আছে। এছাড়া ‘খ’ গ্রুপে(ইঞ্জিনিয়ারিং, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা এবং স্থাপত্য বিভাগ) ৯৭ জন শিক্ষার্থী ভর্তি অবস্থায় রয়েছে।
কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি বাতিল করলে মেধাতালিকার পরবর্তী শিক্ষার্থীদের নোটিশের মাধ্যমে কল করা হচ্ছে। ভর্তির এ প্রক্রিয়া ওরিয়েন্টেশন ক্লাসের পূর্ব পর্যন্ত চলমান থাকবে এবং অটো মাইগ্রেশন প্রক্রিয়াও চলমান থাকবে বলে জানা গেছে।