ক্যাম্পাসে রমজানের ইফতার যেন ভ্রাতৃত্বের প্রাণবন্ত বন্ধন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনার, ক্যাফেটেরিয়া, মসজিদ, কাঁঠালতলা, শান্ত চত্বর, বিজ্ঞান ভবনসহ পুরো ক্যাম্পাসের কোণে কোণে সবাই দলবেধে সেরে নিচ্ছেন নিজেদের ইফতার। বাইরে থেকে ইফতারের যাবতীয় সামগ্রী ছোলা, পেঁয়াজু, বেগুনি, আলুর চপ, শরবত, তরমুজ, আনারস, পেয়ারা, কমলা, আঙ্গুরসহ বাহারি আইটেমের আয়োজন করে সবাই একসঙ্গে বসে সেরে নিচ্ছেন প্রতিদিনকার ইফতার।

.png)
সবার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠন আয়োজন করছে ইফতারের। সেখানে তাদের সংগঠনের সদস্যসহ সবাইকে নিয়ে আয়োজন করছে ইফতারের। বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাশ ভবনে সাংবাদিক সমিতি, বিএনসিসি, সাংস্কৃতিক সংসদ, আবৃত্তি সংসদসহ যেসব অঙ্গসংগঠন রয়েছে, তারা তাদের প্রতিদিনকার ইফতার সেরে নিচ্ছেন তাদের কার্যালয়েই।

ইফতারগুলোতে যে শুধু মুসলিমরা অংশ নিচ্ছে, তা কিন্তু নয়। অনেক হিন্দু শিক্ষার্থীও অংশগ্রহণ করছেন ইফতারে। আর বন্ধু-বড় ভাই সবাই তাদের গ্রহণ করে নিচ্ছেন সাদরে, যা রূপ নিচ্ছে এক সম্প্রীতির বন্ধনে।
ইফতারে অংশগ্রহণ করা ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী মুইন শেখ বলেন, প্রতি রোজায় বাসায় থাকা হয়, এবার পরীক্ষার কারণে বাড়িতে যাওয়া হয়নি। তারপরও ক্যাম্পাসে প্রতিদিনের ইফতার করছি, এ এক নতুন অভিজ্ঞতা। বন্ধু, বড় ভাই, ছোট ভাই সবাই মিলে ইফতার করছি, যা আমাদের ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরো মজবুত করছে। পাশাপাশি পরিবার থেকে দূরে থাকার আক্ষেপ কিছুটা হলেও দূর করছে।

এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ায় সরবরাহ করা হচ্ছে ৫০ টাকায় ৮ আইটেমের ইফতার। সেখানেও অনেক শিক্ষার্থীকে ইফতার করতে দেখা যায়।