এবারের ঈদের পরিকল্পনা জানতে চাইলে ফারিণ বললেন, ঈদ ঢাকাতেই করছি। ওরকম পরিকল্পনা নেই। যেটা হয় ঈদের আগের দিন ঘরদোর গোছানো হয়। ঈদের দিন বিকালে বা রাতে বাইরে ঘুরতে যাওয়া হয়। এবারো ওভাবে ঈদ কাটবে।
ফারিণ ঈদের পোশাক প্রসঙ্গে বলেন, আমি সবসময়ই সাধারণ পোশাক পরতে পছন্দ করি। এবার সুতির আরামদায়ক কামিজ পরা হবে।
.png)
ঈদে নিজের জন্য শপিং করেন না ফারিণ। এ প্রসঙ্গে বলেন, ঈদে সাধারণত নিজের জন্য শপিং করা হয় না। কারণ সারাবছরই টুকটাক শপিং করতে হয়। আশেপাশে যারা আছেন তাদের জন্য শপিং করি। তাদের ঈদ উপহার দিতে ভালো লাগে।
ছোটবেলার ঈদের কথা মনে করে ফারিণ বলেন, বাবা সরকারি চাকরি করতেন। তাই ঢাকার বাইরে রোজার অধিকাংশ সময় কাটতো। বাবা ঈদের ছুটি পেলে নানুবাড়ি যেতাম। আমি ঈদের দিন গুনতাম। কখন বাবা ছুটি পাবে। শপিং করতে ঢাকা আসতে পারব। আসলে সে সময় শপিংমলে যাওয়াটা বিলাসিতা ছিলো। কারণ বাবার চাকরিসূত্রে কক্সবাজার, যশোর, পাবনা ইত্যাদি জায়গায় থাকা হতো। আমি ছোটবেলায় ঢাকা আসলে ফেরার সময় মন খারাপ করতাম। কান্নাকাটি করতাম অনেক।
প্রসঙ্গত, ফারিণ জানিয়েছেন এবার ঈদে তার ৪টি নতুন কাজ প্রচার হবে। আগের শুটিং করা কয়েকটি নাটকও প্রচারের সম্ভাবনা আছে বলে জানিয়েছেন তিনি।