ঢাকার উত্তর বাড্ডার একটি কাজী অফিস থেকে শরিফুল রাজের প্রতি তালাকের নোটিশ ইস্যু করেন পরীমনি। ১৮ সেপ্টেম্বর ইস্যু করা সেই নোটিশে পরীমনি বিচ্ছেদের জন্য চারটি কারণের কথা উল্লেখ করেছেন। এগুলো হলো- মনের অমিল হওয়া, বনিবনা না হওয়া, খোঁজখবর না নেওয়া এবং মানসিক অশান্তি।
২০২২ সালের ১০ জানুয়ারি প্রকাশ্যে আসে রাজ-পরীর সম্পর্কের খবর। পরীমনির পক্ষ থেকে ইস্যু করা তালাক নোটিশ ঘেঁটে দেখা গেছে, ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর তাদের বিয়ে নিবন্ধিত হয়। দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে ১০১ টাকার দেনমোহরে ঘরোয়া আয়োজনে তাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়। তার আগে হয় তাদের গায়েহলুদের অনুষ্ঠানও।
.png)
পরীমনি ও রাজের সংসারে শাহীম মাহমুদ রাজ্য নামের ১৪ মাস বয়সী একটি ছেলেসন্তান রয়েছে। দেড় বছরের দাম্পত্য জীবনে নানা ঘটনা আলোচনায় এসেছে পরীমনি ও রাজের সংসার। কখনো বিদ্যা সিনহা মিম, কখনো সুনেরাহ বিনতে কামালসহ অন্য কাউকে ঘিরে রাজের প্রতি সন্দেহের তির ছুড়েছেন পরীমনি। এসব নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি।