শারদীয় দুর্গোৎসবে ইধিকার পরিকল্পনা জানতে চাইলে বললেন, পূজোর পরিকল্পনা বাড়ির লোক ও বন্ধুদের নিয়েই। ব্যস্ততার জন্য তাদের সবচেয়ে কম সময় দেয়া হয়। তাই পূজো তাদের জন্য। তাদের সঙ্গেই সেলিব্রেট করবো।
পূজার দিনগুলো কিভাবে কাটবে জানতে চাইলে ইধিকা জানান, পূজোতে কখনই কলকাতার বাইরে যাই না। যাওয়া পছন্দ করি না। পূজোয় কলকাতা অন্যরকমভাবে সেজে ওঠে। ছোটবেলার অনেক স্মৃতি আছে দুর্গাপূজায় কলকাতাকে ঘিরে। সেজন্য কখনোই দুর্গাপূজায় কলকাতা ছেড়ে যাই না। তাই কলকাতায় থাকবো আর ঘুরবো।
.png)
তিনি যোগ করেন, প্রিয়তমা মুক্তির পর ওপার বাংলার (বাংলাদেশ) মানুষের কাছে ভালোবাসা পেয়েছি; তারা আমাকে প্রিয়তমা বলে চিনতে পারে। সেরকম এপার বাংলার (কলকাতা) মানুষের কাছেও আমি ভালোবাসা পাচ্ছি। তারাও আমাকে প্রিয়তমা হিসেবে চিনতে পারছে। এই একটি পরিবর্তন তো হয়েছেই।
পূজার কেনাকাটা প্রসঙ্গে প্রিয়তমা ইধিকা বলেন, প্রিয়জনদের কাছ থেকে পূজার উপহার পেয়েছি। শপিং বলতে অ্যাথনিক ও ওয়েস্টার্ণ পোশাক কিনেছি।
ছোটবেলায় কাটানো পূজার স্মৃতি মনে করে করে ইধিকা বললেন, ছোটবেলায় বিভিন্ন মণ্ডপে গিয়ে ঠাকুর দেখা হতো। এখন আর সেটা হয় না। ছোটবেলায় বাড়িতে ফিরে গুণতাম কতগুলো ঠাকুর দেখলাম। এখন বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে কিংবা কোনো রেস্তোরাঁ অথবা কলকাতার রাস্তায় সময় কাটে। ঠাকুর দেখতে যাওয়া হয় না। কিন্তু পূজা আগের মতোই আছে। সেই আনন্দ। সেই মজা।
সবশেষে ইধিকা তার দর্শকদের উদ্দেশ্যে বললেন, দুর্গাপূজা মানেই তো সকল অশুভ’র অবসান ঘটিয়ে শুভ’র সূচনা। মা এসেছেন। সকল সমস্যা মানুষের জীবন থেকে চলে যাক। সকলের জীবনে শুভদিন আসুক। আমার যারা দর্শক আছেন তাদের জীবনের সকল প্রতিকূলতা অতিক্রম করে একটি সুস্থ ও সুন্দর জীবন গড়ে তোলার শক্তি মা সবাইকে দিক। সকলে ভালো থাকুক। সুস্থ থাকুক।