এ প্রসঙ্গে মম বলেন, ‘এটা যুদ্ধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। গণহত্যা, শিশু হত্যা, নারী হত্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। আমরা যুদ্ধ চাই না। যেই শিশুটি জন্মের পরই মারা যাচ্ছে, সে কিন্তু জানেই না, কেন সে মারা যাচ্ছে। শিশুটির সুন্দর একটা জীবনযাপন করার সুযোগও হয় না! আমরা তেমনটাই দেখেছি ফিলিস্তিন যুদ্ধে। এই গণহত্যার বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিবাদ। আমরা শান্তি চাই।’
তিনি আরো বলেন, ‘সব চরিত্রের নাম হয় না। এ চরিত্রের নাম বলা যেতে পারে মানবতার জন্য। এখানে যেকোনো নাম কিংবা যেকোনো মানুষ হতে পারে।’
.png)
কনসার্টের আয়োজকদের অন্যতম সদস্য ছিলেন গায়ক আহমেদ হাসান সানী। এ কনসার্টে পারফর্ম করেন ২০টির বেশি ব্যান্ড ও সংগীত শিল্পী। ‘মাকসুদ ও ঢাকা’, ‘আর্ক’, ‘মেঘদল’, ‘নেমেসিস’, ‘ইন্দালো’, ‘কার্নিভাল’, ‘সহজিয়া’, ‘অ্যাভয়েড রাফা’র মতো ব্যান্ড উপস্থিত ছিল। একক শিল্পী হিসেবে ছিলেন রেজাউল করিম লিমন, আহমেদ হাসান সানি, মাশা ইসলাম, র্যাপার সাফায়েত, আসির আরমান, মুয়িজ মাহফুজসহ অনেকে।
গণহত্যাবিরোধী এ কনসার্ট থেকে অর্জিত অর্থ ‘রেড ক্রিসেন্ট’ অথবা ‘প্যালেস্টাইন চিলড্রেন্স ফান্ড’-এর মাধ্যমে ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত অসহায় বেসামরিক জনগণের খাবার ও চিকিৎসার জন্য পাঠানো হচ্ছে।