চমক অভিনেত্রী হওয়ার আগেই মেডিকেলে পড়াশুনা শেষ করেছেন। তাই বন্যার্তদের পুর্নবাসনে তিনি কাজ করবেন একদল মেডিকেল টিমের সঙ্গে।
নিজের পরিকল্পনা নিয়ে তিনি বলেন, এই সময়ে প্রথমেই বন্যা কবলিতদের স্বাস্থ্যসেবা দরকার। তাই এই কাজটিই আমরা সর্বপ্রথমে শুরু করেছি। মেডিকেল ইকুইপমেন্ট সাপ্লাই এরই মধ্যে হয়ে গেছে। এবার আমার পরিচিত যে ডাক্তারা স্বেচ্ছায় চিকিৎসা সেবা দিতে ফিল্ডে যেতে ইচ্ছুক তাদের নিয়ে কাজটি করবো। ৪ জন ডাক্তারের এক একটি টিম করেছি। বেশ কয়েকটি টিম আমরা স্বাস্থ্যসেবা দেবো।
.png)
চমক বলেন, আমার খুব খারাপ লেগেছে যে বন্যায় অনেক মানুষের গবাদিপশু মারা গেছে। আসলে কাউকে দোষও দেওয়া যাবে না। কারণ ঐ পরিস্থিতিতে মানুষকে বাঁচানোটাই ছিলো প্রধান কাজ। ফলে অনেক পশুপাখি বাঁচানো যায়নি। তবে এটাও ঠিক যে অনেক মানুষ এসব গবাদি পশুর ওপর নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। কিন্তু এখন তারা সেটি পারছেন না। অনেকের বাড়ি ঘর তলিয়ে গেছে। আমি চেষ্টা করবো যতটুকু পারি কিছু মানুষকে ঘর বাড়ি তৈরি করে দিতে আর কিছু মানুষকে গবাদি পশু কিনে দিতে যেন তারা আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারে।
বন্যার অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে অভিনেত্রী বলেন, এবারের বন্যার মতো ভয়াবহ অবস্থা তো আমরা কোনোদিন দেখিনি। যে অভিজ্ঞতাই হয়েছে সবটাই নতুন। আমার খুব ভালো লেগেছে যেভাবে মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। লাইন দিয়ে বন্যার্তদের জন্য টাকা-পয়সা, খাদ্য, বস্ত্রসহ যে যা পেরেছে দিয়েছে। কিন্তু কিছু খারাপ অভিজ্ঞতাও হয়েছে। ভিলেজ পলিটিকস এখানেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। কেউ যদি স্থানীয়দের সাহায্য নিয়ে ত্রাণ দিয়ে থাকে তাহলে তারা বুঝবে, অনেক জায়গায় ঐ স্থানীয়রা নিজেদের পছন্দের মানুষের বাড়িতেই ত্রাণ দিয়েছে। যাদের সঙ্গে ঝামেলা রয়েছে তাদের কিছুই দেয়নি। কেউ কেউ ত্রাণ বিক্রিও করে দিয়েছে। এমনও দেখেছি কিছু স্থানীয় ব্যবসায়ী ঢাকার চেয়ে বেশি দামে পানি বিক্রি করেছে।