ফুটবল মানেই বাঙালির এক বাঁধভাঙা আবেগ আর অন্তহীন উচ্ছ্বাস। ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে দর্শকদের সেই চিরচেনা উন্মাদনা ও হাস্যরস পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে নির্মিত হয়েছে বিশেষ নাটক ‘ফুটবল যুদ্ধ’। রাজীব মণি দাসের ব্যতিক্রমী রচনা ও চিত্রনাট্যে নাটকটি পরিচালনা করেছেন পলাশ মণি দাস।
নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন— আ খ ম হাসান, পুনম হাসান জুঁই, কাজী রাজু, সাহেলা আক্তার, ফরিদ হোসাইন, জাহাঙ্গীর আলম, আলতাব হোসেন, আল মামুন রূপান্ত, আহমেদ রানা প্রমুখ।
.png)
নাট্যকার রাজীব মণি দাস বলেন, "ফুটবল এ দেশের মানুষের প্রাণের খেলা। এবার হাজার হাজার মাইল দূরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আমি নিজে বর্তমানে আমেরিকায় অবস্থান করছি। এখানে থেকে ফুটবল নিয়ে নাটক লিখবো না, তা কি করে হয়! দেশের মানুষ ও প্রবাসীদের বিশ্বকাপের আনন্দ বাড়িয়ে দিতেই এই ব্যতিক্রমী নাটকটি লিখেছি।"
পরিচালক পলাশ মণি দাস জানান, ফুটবল বিশ্বকাপ এলে পুরো বাংলাদেশ মূলত আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল—এই দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। তখন বাবা-মা, ভাই-বোন, প্রেমিক-প্রেমিকা বা বন্ধু-বান্ধবের মধুর সম্পর্কগুলোও যেন সাময়িক 'শত্রুতায়' রূপ নেয়। এমন সাংঘাতিক ফুটবলপ্রেমী মানুষ পৃথিবীতে সত্যিই বিরল।
শিপন আর্জেন্টিনার সমর্থক আর লিনা ব্রাজিলের। ফুটবল নিয়ে এই দুই প্রেমিক-প্রেমিকার সুন্দর সম্পর্কে শুরু হয় তুমুল টানাপোড়েন।
কারণ মিজান ব্রাজিলের সমর্থক! এই দ্বন্দ্ব এক পর্যায়ে রান্নাঘর ছাড়িয়ে এতদূর পৌঁছায় যে, মা ও ছেলে মিলে মিজানকে বাড়ি থেকেই বের করে দেয়। প্রধান শর্ত থাকে— পাত্রীর অন্য গুণ না থাকলেও চলবে, তবে তাকে অবশ্যই ব্রাজিলের কট্টর সমর্থক হতে হবে!
আরিফ নামের এক ব্যক্তি তাঁর কর্মচারীকে বাধ্য করেন নিজের প্রিয় দল ব্রাজিলকে সমর্থন করতে।
এমনই সব জমজমাট ও হাসির ঘটনার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাবে ‘ফুটবল যুদ্ধ’ নাটকের কাহিনী। বিশ্বকাপ ফুটবল দেখতে দেখতে দর্শকরা এই নাটকটি দারুণ উপভোগ করবেন বলে আশাবাদী নির্মাতা দল।