খ্রিষ্টান ধর্মের এই অনুষ্ঠানের সঙ্গে কীভাবে ডিম সংযুক্ত হল, তা দেখে নেওয়া যাক। এই ইস্টার সানডের সঙ্গে ডিম বিতরণের সম্পর্ক কী তা জেনে নেয়া যাক।
ইস্টারের বানি নিয়ে আসে বিভিন্ন ধরনের উপহার, চকোলেট। বলা হয়, যে শিশুরা সভ্য ভদ্র, তাদের জন্য ক্রিসমাসের ফাদার যেমন উপবার আনেন, তেমনই ইস্টারের বানি নিয়ে আসে উপহার। সঙ্গে দেওয়া হয় ডিমও। উল্লেখ্য, ১৯০০ শতকে জার্মানি ও ফ্রান্সে এই পরম্পরা শুরু হয়। ওই ডিম আসলে কীসের প্রতীক তা নিয়েও রয়েছে বিভিন্ন মত।
.png)
মূলত, ডিম থেকে যেহেতু শিশুর জন্ম হয়, তাই মনে করা হয়, ডিম প্রজননের প্রতীক। জন্ম ও প্রজননকে চিহ্নিত করে ডিম। সেই প্রতীকী ভাবধারা থেকেই এই দিনে ডিম বিতরণের রীতি রয়েছে বলে মনে করা হয়। অনেকেই আবার মনে করেন, যিশু খ্রিস্টের পুর্নজন্মকে চিহ্নিত করে এই ডিম।
ইস্টারে ডিম বিতরণের কথা ছাড়াও ইস্টারের বানির উল্লেখ প্রথম আসে সপ্তদশ শতকের জার্মান সাহিত্যে। সেখানে চকোলেট দিয়ে ডিমের আকৃতির খাবার বানানোর পাশাপাশি চকোলেট দিয়ে বানি বানানোর প্রচলনও প্রথমবার দেখা যায় জার্মানিতে। সেই থেকে এই প্রচলন হয়ে আসছে।
ইস্টার উদ্যাপনের সঙ্গে সঙ্গে পালিত হয় ইহুদি উৎসব পাসওভার। এই সময়ে মিশর থেকে ইহুদিদের এলাকা ত্যাগের ঘটনাকে চিহ্নিত করে এই উৎসব পালিত হয়। যা বর্ণিত রয়েছে ধর্মগ্রন্থেও।