এনগুয়েন ভিয়েতনামের মিকং ডেল্টা এলাকার এই বাসিন্দা। এলাকাটি দেশটির হু চি মিন শহর থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরে।
এনগুয়েন বলেন, চুল কেটে ফেলার পর আমি মারা যাবো বলে বিশ্বাস করি। আমি এটাকে পরিবর্তন করতে চাই না। এমনকি চিরুনি ব্যবহার করতেও চাই না।
.png)

এনগুয়েন বলেন, আমি শুধু চুলের যত্ন নিয়েছি। চুলকে সুন্দর ও পরিষ্কার রাখতে স্কার্ফ ব্যবহার করি।
৯ শক্তি ও সাত দেবতার উপাসক এনগুয়েন বলেন, যখন কমলা রঙের পাগড়ির নিচে আমার চুল লুকিয়ে রাখতাম তখন চুল বাড়ানোর ডাক পাই।
আরো পড়ুন>>রাজশাহীতে ড্রেনে ভাসছে কাড়ি কাড়ি টাকা, হাত দিলেই মিলছে বান্ডেল
স্কুলে পড়ার সময় এনগুয়েনকে চুল কাটতে বলা হয়। তাই তৃতীয় শ্রেণির পর লেখাপড়া ছেড়ে দেন। কারণ তিনি চুল কাটতে বা চিরুনির আঁচড় দিতে পারবেন না।

তিনি বলেন, আমরা চুল কালো, সরু ও শক্তিশালী ছিল। তখন চুলের যত্ন নিতাম। যখন ঐশ্বরিক শক্তি থেকে আহবান পেয়েছি তখন থেকে চুল রাখা শুরু করি। প্রতিরাতে এটি শক্ত হয়ে পড়ে । তবে এটি আমার অনুভূতিতে জড়িয়ে রয়েছে।
এনগুয়েনের পাঁচ ছেলে রয়েছে। এর মধ্যে লুয়াম নামের এক ছেলে পাঁচ মিটার লম্বা চুল ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করে।