সোমবার বিকেলে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গেছে। ওই যুবকের নাম খুরশেদ মোমিন। প্রায় এক বছর আগে মোমিনের সঙ্গে ওই গ্রামেরই বাসিন্দা আসমিরা খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী অত্যাচার করতেন বলে অভিযোগ করেছেন আসমিরা। গ্রামেরই অন্য এক মহিলার সঙ্গে স্বামীর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। আর এই নিয়েই ওই দম্পতির সংসারে অশান্তি তৈরি হয়। এরই জের ধরে কয়েকদিন আগে আসমিরা তার বাবাব বাড়িতে চলে যান। দাম্পত্য অশান্তি মেটাতে সোমবার বিকেলে নুরপুর গ্রামেই বসে সালিশি সভা। ওই সভায় মোমিনের বিরুদ্ধে ফের একই অভিযোগ তোলেন আসমিরা। অন্য এক নারীর সঙ্গে তার স্বামীর সম্পর্ক রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
সভায় প্রকাশ্যে এই অপবাদ শুনে অপমানিত বোধ করেন মোমিন। পকেট থেকে হঠাৎ ব্লেড বের করেন তিনি। এরপর সালিশি সভায় সবার সামনেই নিজের পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলেন তিনি।
.png)
এ বিষয়ে মোমিন জানিয়েছেন, সবসময় তার স্ত্রী তাকে সন্দেহ করে। অন্য কোনো নারীর সঙ্গে তার পরকীয়া নেই বলে দাবি করেন মোমিন। তিনি বলেন, গ্রামবাসীদের সামনে আমার বদনাম করেছে আসমিরা। এতে আমার সন্মান নষ্ট করেছে। তাই আমি নিজেই যৌনাঙ্গ কেটে ফেলেছি।
রক্তাক্ত অবস্থায় প্রথমে মোমিনকে মাণিকচক গ্রামীণ হাসপাতালে নেয়া হয়। এরপর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এদিকে, এ কাজের মাধ্যমে চক্রান্ত করে খুনের মামলায় আসমিরাকে ফাঁসানোর চেষ্টা হচ্ছে বলে স্বামীর বিরুদ্ধে মাণিকচক থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
সূত্র- সংবাদ প্রতিদিন