ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

ছেলের কথায় ৩০ রুপির লটারি কিনে রাতারাতি কোটিপতি বাবা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৪:২০, ২৯ জুলাই ২০২২
ছেলের কথায় ৩০ রুপির লটারি কিনে রাতারাতি কোটিপতি বাবা
১ কোটি টাকা লটারি জেতা পশ্চিমবঙ্গের জগন্নাথ মণ্ডল। ছবি: সংগৃহীত

ছেলের আবদার মেটাতে ৩০ রুপিতে লটারি কেনেন জগন্নাথ মণ্ডল। আর এই টিকিটেই রাতারাতি ভাগ্য বদলে গেছে তার।

বুধবার এই লটারি জিতে রীতিমতো সাড়া ফেলে দিয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার এই বাসিন্দা। তিনি পায়রাডাঙ্গা গ্রামের উকিলনাড়ায় বসবাস করেন।

জানা গেছে, গ্রাম পঞ্চায়েতের অস্থায়ী ভিলেজ রিসোর্স পার্সনের চাকরি করতেন জগন্নাথ। মাসে পেতেন মাত্র ৫ হাজার টাকা। 

Advertisement

বুধবার দুপুরে গ্রামের একটি চায়ের দোকানে বসে চা খাচ্ছিলেন তিনি। বেশ কয়েকদিন ধরে তার এক ছেলে লটারি কেনার আবদার করে আসছিল। পকেটে খুব বেশি টাকা না থাকলেও ছেলের আবদারের কথা মাথায় রেখে শেষমেশ ৩০ রুপিতে লটারি কিনে ফেলেন তিনি।

জগন্নাথ স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি সেই লটারিতে কোটি রুপি বাধবে। বুধবার বিকেলে লটারির ফলাফল বেরনোর পর জগন্নাথ জানতে পারেন তিনিই প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন। তাও আবার দু-এক লাখ নয়, ১ কোটি রুপি।

এ খবর শোনার পর হাসবেন না কাঁদবেন, বুঝে উঠতে পারছিলেন না তিনি। দেরি না করে ছুটে যান বাড়িতে। খবরটি জানান স্ত্রী মিতালি মণ্ডলকে। স্বামী-স্ত্রী দুজনের চোখ দিয়েই আনন্দ অশ্রু গড়িয়ে পড়ে।

কিছুক্ষণের মধ্যেই জগন্নাথ সিদ্ধান্ত নেন পুরস্কারের অর্থ হাতে পেয়ে প্রথমেই বাড়ির পাশে সর্বজনীন কালী মন্দিরটি সংস্কার করে বড় করবেন। সেইসঙ্গে আরো কিছু অর্থ সামাজিক কাজে ব্যয় করবেন। দুই ছেলেকে উচ্চশিক্ষিত করে গড়ে তুলবেন।

এ বিষয়ে জগন্নাথ মণ্ডল বলেন, আমার লটারি কেনার অভ্যাস নেই। মাসে একবার আমার ওই ছেলেটি এলে ৩০ রুপির লটারি কাটতাম। বুধবারেও কেটেছিলাম, তবে সেটাতে এত টাকা বাধবে ভাবিনি।

জগন্নাথের স্ত্রী মিতালী দেবী বলেন, ভাগ্যদেবতা আমাদের দিকে মুখ তুলে চেয়েছেন। আমরা কোটি রুপির মালিক হবো তা কোনোদিনও ভাবিনি।

এর আগে, ঋণের ভারে কার্যত নিঃস্ব হয়ে গিয়েছিলেন চিত্রশিল্পী মো. বাভার। বাড়ি বিক্রি করে ঋণশোধের সিদ্ধান্ত নেন তিনি। সেই বাড়ি বিক্রির মাত্র দু’ঘণ্টা আগে ১ কোটি টাকার লটারি জেতেন ভারতের কেরালার কোঝিকোড়ের  এই বাসিন্দা।

জানা গেছে, সংসারে স্ত্রী ছাড়াও রয়েছেন চার মেয়ে এবং এক ছেলে। দুই মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। তারপর বাড়ি সারাতে গিয়ে ঋণের দায়ে পড়েন বৃদ্ধ শিল্পী। ব্যাংক থেকে ঋণ, আত্মীয়স্বজনদের থেকে ধার-সব মিলিয়ে প্রায় ৫০ লাখ টাকা ঋণ করে ফেলেন। কীভাবে এই ঋণ পরিশোধ করবেন, সে চিন্তায় রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছিল। এর মধ্যেই তিনি ১ কোটি টাকার লটারি জেতার খবর পান।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরআই
ট্যাগ: ভারত
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!