নিহত নারীর নাম বাবলি ওঁরাও (৬২)। বোনই এর পর ভাইকে পুলিশে ধরিয়ে দেন।
সোমবার (৮ আগস্ট) ভারতের জলপাইগুড়ির ডুয়ার্সের তেলিপাড়া চা-বাগান এলাকার এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
.png)
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাবলির মেয়ের বিয়ে হয়েছে পাশেই। রোজ সকালে তিনি মেয়ের বাড়িতে চা খেতে যান। কিন্তু সোমবার সকালে মা না-আসায় মেয়ে বাড়িতে চলে আসেন। এর পর ঘরে মায়ের দেহ পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার করে ওঠেন তিনি। তার চিৎকার-চেঁচামেচিতে পড়শিরা ছুটে আসেন। খবর দেওয়া হয় পুলিশ ফাঁড়িতে। মৃতার ছেলে উত্তম ওরাওকে গ্রেফতার করেছে বানারহাট থানার পুলিশ। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, টাকা নিয়ে বচসার সময় রবিবার রাতে মাকে খুন করেন ছেলে। খুনের পর রাতে ওই ঘরেই মায়ের দেহের পাশে কাটান ছেলে উত্তম।
আরো পড়ুন>> রুবল দিয়ে রাশিয়ার গ্যাস কিনবেন এরদোগান
পুলিশ সূত্রে খবর, তেলিপাড়া চা-বাগানের কুমা লাইনের বাসিন্দা বাবলির দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। বৃদ্ধার পরিবারের বাকি সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, বাবলি প্রত্যেক দিন সকালে মেয়ের ঘরে চা খেতে যেতেন। সোমবার সকালে তিনি না যাওয়ায় সন্দেহ হয় মেয়ের। কী কারণে মা এলেন না, শরীর খারাপ হল কি না, তা দেখতে ঘরে এসে মায়ের দেহ দেখতে পান তিনি। এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে বাবলির ছেলে উত্তমকে।
তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তমকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে তিনি কিছুই বলতে চাইছেন না বলে তদন্তকারীদের একাংশের দাবি। বাবলির মেয়ে ও পড়শিদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, টাকাপয়সা নিয়ে মা এবং ছেলের মধ্যে প্রায়ই বচসা হয়। সম্প্রতি ২০ হাজার টাকা নিয়েও মা ও ছেলের মধ্যে বচসা হয়েছে। বাবলি সেই টাকা দিতে না পারায় তাকে খুন করা হয়েছে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। আপাতত তারা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসার অপেক্ষায়।
সূত্র: আনন্দবাজার