শুক্রবার রাতে কালিগঞ্জ উপজেলার মথুরেশপুর ইউপির ছনকা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত বৃদ্ধা ছনকা গ্রামের মৃত আনছার আলীর স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানায়, আম্বিয়া খাতুনের স্বামী সরকারি চাকরিজীবি ছিলেন। তার মৃত্যুর পর পেনশনের টাকা আর জমি-জমার একটি অংশ স্ত্রী আম্বিয়া খাতুনের নামে ছিল। মায়ের সম্পদ নিয়ে বড় ছেলে আইরিছুজ্জামান, ছোট ছেলে শরিফুজ্জামান এবং ৪ মেয়ের মধ্যে বিরোধ চলছিল। নিহত আম্বিয়া খাতুন গত ১ সপ্তাহ মেয়ের বাড়িতে ছিল। শুক্রবার সকালে তিনি মেয়ের বাড়ি থেকে ছোট ছেলে শরিফুজ্জামানের বাড়িতে আসেন। শনিবার ভোরে আম্বিয়া খাতুনের রক্তাক্ত লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়া হয়।
.png)
নিহতের ছোট ছেলে শেখ শরিফুজ্জামান শিমুল বলেন, প্রতিদিনের ন্যায় তার মা রাতের খাবার খেয়ে বাড়ির দু’তলায় নিজ রুমে ঘুমাতে যান। তিনি এবং তার পরিবার রাতে নিচের রুমে ঘুমান। মা আম্বিয়া খাতুন রাতে একা দু’তলায় ঘুমাতেন। সেহরি খাওয়ার সময় মাকে ডাকতে যেয়ে দেখেন তার মা মৃত অবস্থায় পড়ে আছেন।
তার মায়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন আর রক্ত কেন এমন প্রশ্ন করলে তিনি কোনো উত্তর দেন নি।
কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃদ্ধার শরীরে আঘাতের চিহ্ন আছে। মৃত্যুটি রহস্যজনক হওয়ায় লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।