বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ কুর্দিস্তানের সুলাইমানিয়া নগরীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ইরাকের বেসামরিক সুরক্ষা বিভাগ থেকে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
নগরীর জরুরি ব্যবস্থাপনার প্রধান সামান নাদের বার্তা সংস্থা এএফপি’কে জানান, একটি ট্যাঙ্ক থেকে গ্যাস লিকেজ হওয়ায় এ বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় একটি বাড়ি ধসে পড়েছে। এছাড়া বিস্ফোরণে ভবনের জানালা ভেঙে পড়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি ভবন ও সড়কে থাকা পাঁচটি গাড়িও পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
.png)
আরো পড়ুন>> বাইডেনের নাতনির বিয়ে, হোয়াইট হাউজে সাজ সাজ রব
সামান নাদের জানান, স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান অঞ্চলের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহরটিতে ধসে পড়া তিনতলা বাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে এখনো চারজনকে উদ্ধার করা যায়নি। নিহতদের মধ্যে অন্তত একজন শিশু রয়েছে।
সামান নাদের বলেন, জরুরি সেবা বিভাগের কর্মীরা ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তুপের নিচে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন।
যুদ্ধ-বিধ্বস্ত ইরাকের বেশিরভাগ ভবন জরাজীর্ণ। সেই ভবনগুলোতে এ ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা স্বাভাবিকে পরিণত হয়েছে। এছাড়া দেশটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল মানদণ্ডের থাকায় পরিবহন ও নির্মাণ খাতে প্রায়ই এ ধরনের দুর্ঘটনা দেখা যায়।
শুক্রবার সকালের দিকে সুলাইমানিয়া প্রদেশের গভর্নর হাভাল আবুবাকের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে প্রাণহানির ঘটনায় তিনদিনের শোক ঘোষণা করেন।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের অক্টোবরের শেষের দিকে রাজধানী বাগদাদে গ্যাসবাহী একটি ট্যাঙ্ক বিস্ফোরণে অন্তত ৯ জন নিহত ও তিনজন আহত হন। তারও আগে, ২০২১ সালের এপ্রিলে বাগদাদের একটি হাসপাতালে সংরক্ষিত অক্সিজেন সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৮০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন।