ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ জাতীয় ]

জেট ফুয়েলের দাম লিটারে ৭ টাকা বেড়েছে  

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০১:৩৩, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২২
জেট ফুয়েলের দাম লিটারে ৭ টাকা বেড়েছে  
ফাইল ফটো

ফের বেড়েছে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটের ফ্লাইটে ব্যবহৃত জেট ফুয়েলের দাম।  এ নিয়ে গত ১৬ মাসে বাংলাদেশে জেট ফুয়েলের দাম ১২ দফা বাড়ল। 

জানা গেছে, অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের ক্ষেত্রে ৭৩ টাকা থেকে ৭ টাকা বাড়িয়ে প্রতি লিটার ফুয়েলের (জ্বালানি) দাম ৮০ টাকা করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) আওতাধীন পদ্মা অয়েল কোম্পানি। বুধবার থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। 

পদ্মা অয়েল জানায়, আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার জন্য প্রতি লিটার তেল কিনতে হবে দশমিক ৭৫ মার্কিন ডলারে। আগে যেখানে দাম ছিল দশমিক ৬৭ মার্কিন ডলার।

Advertisement

২০২০ সালের ডিসেম্বরে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনার জন্য প্রতি লিটারের নির্ধারিত মূল্য ছিল ৪৮ টাকা। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে দাম বাড়িয়ে করা হয় ৫৩ টাকা। ফেব্রুয়ারিতে ৫৫ টাকা, মার্চে ৬০ টাকা এবং এপ্রিলে ৬১ টাকা দাম নির্ধারণ করা হয়। 

আরো পড়ুন>>> কমেছে মোবাইল ইন্টারনেটের গ্রাহক 

তবে মে মাসে লিটারে ১ টাকা দাম কমানো হয়েছিল। জুনে আবার ৩ টাকা বাড়িয়ে করা হয় ৬৩টাকা। জুলাইয়ে ৬৬, আগস্টে ৬৭, অক্টোবরে ৭০ এবং নভেম্বরে ৭৭ টাকা করা হয়। সর্বশেষ জানুয়ারিতে দুই দফায় কমানো হয়েছিল ৪ টাকা। ফলে এক মাস ধরে দাম ছিল ৭৩ টাকা।

একইভাবে আন্তর্জাতিক রুটের ফ্লাইটের জন্য ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে জেট ফুয়েলের দাম নির্ধারণ করা হয় প্রতি লিটার ৫০ সেন্ট (৪২ টাকা)। মার্চে ৫৫ সেন্ট (৪৬ দশমিক ৭৫ টাকা), মে মাসে ৫৬ (৪৭ দশমিক ৬ টাকা) সেন্ট, জুনে ৫৯ সেন্ট (৫০ দশমিক ১৬ টাকা), জুলাইয়ে ৬২ সেন্ট (৫২ দশমিক ৭ টাকা), আগস্টে ৬৩ সেন্ট (৫৩ দশমিক ৫৫ টাকা), অক্টোবরে ৬৫ সেন্ট (৫৫ দশমিক ২৫ টাকা) এবং নভেম্বরে ৭৩ সেন্ট (৬২ দশমিক ০৫ টাকা)। পরে অবশ্য কমিয়ে ৬৭ সেন্ট করা হয়।

এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি এয়ারলাইন্সের ৪০ শতাংশ পরিচালন ব্যয় হয় জেট ফুয়েলে। জেট ফুয়েলের দাম যত বেশি হয়, ব্যয় তত বাড়ে। যেসব দেশ কম দামে তেল কিনছে, তাদের পরিচালন ব্যয় কম হচ্ছে। যাত্রীদের জন্য তারা কম দামে টিকিট দিচ্ছে। 

তারা আরো বলেন, বাংলাদেশে জেট ফুয়েলের অতিরিক্ত দামের প্রভাবে এয়ারলাইন্স প্রতিষ্ঠানের রাজস্ব দিন দিন কমতে থাকে। এমন অবস্থা চলতে থাকলে আন্তর্জাতিক এভিয়েশন বাজারের প্রতিযোগিতা থেকে বাংলাদেশের এয়ারলাইন্সগুলো ছিটকে পড়বে। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/জেডআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!